সেই ১৯৮২ সালের পর থেকে আর বিশ্বকাপের মূল পর্বে সুযোগ মেলেনি। পেরুর ফুটবল সোনালি সময়টা ফেলে এসেছে অনেক আগেই। সেটা আবার ফিরে আসবে কি না সেটি বলবে সময়, তবে কাল প্যারাগুয়েকে ২-০ গোলে হারিয়ে একটা বার্তাই দিল পেরু। টানা দুবার কোপা আমেরিকায় তৃতীয়—পেরু আবারও বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্ন দেখতেই পারে।
পাওলো গেরেরোর জন্যও ম্যাচটা বড় প্রাপ্তি হয়েই এসেছে। ৮৮ মিনিটে পেরুর এই স্ট্রাইকারের করা গোলটা ছিল টুর্নামেন্টে তাঁর চতুর্থ। চিলির এদুয়ার্দো ভার্গাসের সঙ্গে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বেশি গোল সাবেক বায়ার্ন স্ট্রাইকারেরই। তবে কাল রাতে ফাইনালে ভার্গাসের সুযোগ ছিল তাঁকে ছাড়িয়ে যাওয়ার। গত আসরেও টুর্নামেন্টের গোল্ডেন বুট পেয়েছিলেন গেরেরো। এবারও সর্বোচ্চ গোলদাতা হলে ১৯২৪ সালের পর প্রথমবারের মতো টানা দুই আসরে এই পুরস্কার পাবেন। পেরুর সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলের মালিক তিওফিলো কুবিলাসের (২৬ গোল) রেকর্ড থেকে মাত্র এক গোল পেছনে এখন গেরেরো। ৪৭ মিনিটে পেরুর প্রথম গোলটা আন্দ্রে কারিয়োর। এএফপি।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0