বিজ্ঞাপন

করোনার মধ্যে ভ্রমণে নিরাপদ দেশগুলোর তালিকায় পর্তুগালকে রেখেছে ইংল্যান্ড। অর্থাৎ ফাইনাল দেখে ইংল্যান্ডে ফিরে আর কোয়ারেন্টিন করতে হবে না ইংলিশ ফুটবলপ্রেমীদের। কিন্তু তুরস্ক লাল (বিপজ্জনক) তালিকাভুক্ত থাকায় কেউ তুরস্কে গেলে সেখান থেকে ইংল্যান্ডে ফেরার পর ১০ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে।

default-image

তার মানে ইস্তাম্বুলে ফাইনাল হলে ম্যাচটা খেলে ফেরার পর বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হতো দুই দলের খেলোয়াড়-স্টাফদের। পোর্তোকে ফাইনালের ভেন্যু হিসেবে বেছে নেওয়ায় চেলসি ও ম্যানচেস্টার সিটিকে এখন আর এই ঝামেলা পোহাতে হবে না।

ইস্তাম্বুলে ফাইনাল নিয়ে প্রশ্ন ওঠার পর ইংল্যান্ডের ওয়েম্বলিকে ভেন্যু হিসেবে বেছে নিতে চেয়েছিল উয়েফা। এ নিয়ে ব্রিটিশ সরকারের সঙ্গে কথাও বলেছিল তারা। কিন্তু কোয়ারেন্টিন জটিলতায় শেষ পর্যন্ত তা আলোর মুখ দেখেনি। এ নিয়ে টানা দ্বিতীয় বছর পর্তুগালে অনুষ্ঠিত হবে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল।

উয়েফা সভাপতি আলেক্সান্ডার সেফেরিন বলেন, ‘সমর্থকদের ম্যাচটা মাঠে উপস্থিত থেকে দেখতে না দেওয়ার কথা ভাবা হয়নি। আমি আনন্দিত যে সমাধান বের করা গেছে। দীর্ঘ ১২ মাস প্রিয় ক্লাবের খেলা সরাসরি না দেখে থাকতে হয়েছে সমর্থকদের আর চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল তো ক্লাব ফুটবলে শীর্ষবিন্দু।’

গত বছর চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয় পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে। গত বছরও প্রথমে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল হবে বলে ঠিক করা হয়েছিল, কিন্তু করোনার কারণে সেটি সরিয়ে পর্তুগালে নিয়ে যাওয়া হয়। শুধু ফাইনালই নয়, কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে ফাইনাল পর্যন্ত টুর্নামেন্টের পুরো অংশই হয়েছিল লিসবনে। দলগুলোকে লিসবনে ‘জৈব সুরক্ষাবলয়ে’ রেখে খেলা হয়েছিল। যদিও কোয়ার্টার ফাইনাল ও সেমিফাইনাল দুই লেগের বদলে তখন হয়েছিল এক লেগের।

পর্তুগালে তৃতীয় বৃহত্তম স্টেডিয়াম এস্তাদিও দ্রাগাওয়ের আসনসংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার। অন্তত ২০ হাজার ফুটবলপ্রেমী যেন ম্যাচটা স্টেডিয়ামে বসে দেখতে পারেন, সে জন্য পর্তুগাল সরকারের সঙ্গে এখন কথা চালাচালি করছে উয়েফা। এর মধ্যে ফাইনালে ওঠা দুই ক্লাবের ৬ হাজার করে সমর্থক আছেন, যাঁদের গ্যালারিতে বসে খেলা দেখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন