ফ্রাঙ্কফুর্টের সেই সন্ধ্যাটার কথা ভোলেননি কার্লি লয়েড। মনে আছে অ্যাবি ওয়ামবাখ আর অ্যালেক্স মরগানেরও। কিন্তু আত্মদহনটা লয়েডের চেয়ে বেশি বোধ হয় আর কারও নয়। চার বছর আগে জাপানের বিপক্ষে বিশ্বকাপের ফাইনালে টাইব্রেকারে মিস করেছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের যে তিনজন, সেখানে নাম ছিল লয়েডেরও। ২-২ সমতায় শেষ হওয়া ম্যাচ টাইব্রেকারে ৩-১-এ জিতে প্রথমবারের মতো মেয়েদের বিশ্বকাপের ট্রফি ঘরে তুলেছিল জাপান।
যুক্তরাষ্ট্র সেই আক্ষেপ কিছুটা ঘুচিয়েছিল পরের বছর লন্ডন অলিম্পিকে। ফাইনালে সেই জাপানকেই ২-১ গোলে হারিয়ে জিতেছিল অলিম্পিক সোনা। যুক্তরাষ্ট্রের দুটি গোলই করেছিলেন কার্লি লয়েড। কিন্তু বিশ্বকাপ ব্যর্থতার আক্ষেপ কি আর অলিম্পিকের সাফল্যে পুরোপুরি ঘোচে! জাপানকে আরেকটা বিশ্বকাপের ফাইনালে পেয়ে তাই তেতে আছে যুক্তরাষ্ট্র, তেতে আছেন লয়েডও। যে কারণে বলেছেন, ‘আমি আমার সর্বস্ব দিয়ে এই ম্যাচটা খেলতে চাই।’
যুক্তরাষ্ট্র মেয়েদের ফুটবলে পরাশক্তি, দুবারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নও। অন্যদিকে ২০১১ বিশ্বকাপের আগে এমনকি এশীয় ফুটবলেও কোনো শিরোপা ছিল না জাপানের মেয়েদের। সেই জাপানই বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পরে গত বছর প্রথমবারের মতো জেতে মেয়েদের এশিয়ান কাপের ট্রফিও। বাংলাদেশ সময় আগামীকাল ভোরের এই ম্যাচটা যে শুধু যুক্তরাষ্ট্রের জন্য নয়, জাপানের জন্যও প্রতিশোধের, সেটাই বললেন জাপানি ডিফেন্ডার সাকি কুমাগাই, ‘দুদলের জন্যই এটা প্রতিশোধের ম্যাচ। আমরা যেমন চার বছর আগে ওদের বিশ্বকাপে হারিয়েছিলাম, ওরাও আমাদের অলিম্পিকে হারিয়েছে।’ এএফপি।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0