বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্প্যানিশ সুপার কাপে কাল রাতে সেমিফাইনালে বার্সেলোনার বিপক্ষে রিয়াল মাদ্রিদের ৩-২ গোলে জয়ের পর বিষয়টি আঁচ করে নিতে পারেন ফুটবলপ্রেমীরা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে আজ একটি পোস্ট করেছেন মিনা। সুপার কাপের এই ম্যাচ সামনে রেখে প্রেমিককে মিনা কীভাবে প্রেরণা জুগিয়েছেন, তা ওই পোস্টে বুঝিয়ে দেন।

হোয়াটসঅ্যাপে উরুগুইয়ান তারকাকে পাঠানো বার্তার স্ক্রিনশট তিনি পোস্ট করেন টুইটে। সেখানে লেখা, ‘মাঠে নেমে যদি গোল করতে না পারো, তাহলে প্রতিদিন আমার হাতের রান্না খেতে হবে। একটু ভেবে দেখো, কেমন।’

default-image

প্রচ্ছন্ন সরস হুমকি? সে তো বটেই। ভালভার্দেও এককাঠি সরেস। রিয়ালের স্কোরকার্ডে তাঁর নাম আছে। ফুটবলপ্রেমীরা রসিকতা করে বলতেই পারেন, মিনার রান্না চাখা থেকে বাঁচতে গোল করেছেন ভালভার্দে। তাতে অবশ্য সবচেয়ে বেশি লাভ হয়েছে রিয়ালের।

২-২ গোলে সমতায় থাকা ম্যাচে ৯৮ মিনিটে ভালভার্দের জয়সূচক গোলই যে রিয়ালকে এনে দিয়েছে স্প্যানিশ সুপার কাপ শিরোপা। তাতে অবশ্য মিনার চেয়ে বেশি খুশি কেউ হতে পারেনি।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিনার একটি ভিডিও প্রকাশ পেয়েছে। ‘এল ক্লাসিকো’ মাদ্রিদের নিজের বাসায় টিভিতে দেখেছেন মিনা। ভালভার্দে জয়সূচক গোল এনে দেওয়ার পর খুশিতে সোফার ওপরই দাঁড়িয়ে লাফাতে থাকেন মিনা। তাতেও মন ভরেনি।

টিভিতে যখনই দেখেছেন ভালভার্দে গোল করে গায়ের জার্সি খুলেছেন, মিনাও বাসায় গায়ের জার্সি খুলে লাফাতে থাকেন। এক সন্তানের জন্ম দেওয়া এই জুটি ‘মানিকজোড়’, তা না বললেও চলে। মিনার রসবোধও চমৎকার।

রিয়ালের জয়ের পর হোয়াটসঅ্যাপে ভালভার্দেকে পাঠানো সেই ‘প্রেরণাদায়ক’ বার্তা পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘প্রেরণাদায়ী মানুষটা হচ্ছি আমি। হ্যাঁ, ওরা আমাকে ধন্যবাদ জানাচ্ছে।’ এই ‘ওরা’ কারা, তা-ও বলতে হবে? রিয়াল মাদ্রিদ!

default-image

ভালভার্দের সঙ্গে খুনসুটিতেও কম যান না মিনা। আর্জেন্টাইন এ সংবাদকর্মী ২০১৯ সাল থেকে মাদ্রিদে বসবাস করছেন। রিভার প্লেট তাঁর প্রাণের ক্লাব। গত বছর কোপা লিবার্তোদোরেস সেমিফাইনালে পালমেইরাসের মুখোমুখি হয় আর্জেন্টাইন ক্লাবটি।

সেদিন খেলা মাঠে গড়ানোর আগে মিনা একটি টুইট করেন, ‘রিভার আজ ফাইনালে উঠতে পারলে বেনিচিওকে ছোট একটা ভাই উপহার দেব এবং তার নাম রাখব বাউতিস্তা নেপোলিয়ন। দুঃখিত ফেদে, এটা আমাকে করতেই হবে। সুযোগ হাতছাড়া করা যাবে না। সত্যিই এটা করতে চাই বলে টুইট করলাম।’

রিভার প্লেটের সাবেক খেলোয়াড় ও বর্তমান কোচ মার্সেলো গ্যালার্দোকে ভক্তরা আদর করে ‘নেপোলিয়ন’ নামে ডেকে থাকেন। ইংরেজি শব্দ ‘ব্যাপ্টিস্ট’কে (যাজক) স্প্যানিশ ভাষায় কারও নাম হিসেবে ডাকার ক্ষেত্রে ‘বাউতিস্তা’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়।

সে যা–ই হোক, ভালভার্দে-মিনা জুটির সন্তান বেনিচিওর কপাল খারাপ। সেবার ফাইনালে উঠতে পারেনি রিভার প্লেট। কিন্তু মিনা তাতে দমে যাওয়ার পাত্রী নন। রিভার প্লেটে থাকতে গ্যালার্দোরই একটি কথা অমরত্ব পেয়েছে—‘লেট দ্য পিপল বিলিভ’।

default-image

এ কথা ডান হাতের বাহুতে ট্যাঁটু করিয়েছেন মিনা। পাশাপাশি একটি তারিখও নিচে লেখা আছে—২০১৮ কোপা লিবার্তোদোরেস ফাইনালে যেদিন বোকা জুনিয়র্সকে হারিয়ে রিভার প্লেট শিরোপা জিতল!

ভালভার্দে প্রস্তুত হোন, স্প্যানিশ সুপার কাপ ফাইনালের আগে নিশ্চয়ই নতুন কোনো ‘প্রেরণা’ আসবে!

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন