বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিজেদের মাঠে কিয়েভ বেশ ভালোই দাপট দেখিয়েছে। ম্যাচের ২৪ মিনিটেই দলের তারকা মিডফিল্ডার মাইকোলা শাপারেঙ্কোর কল্যাণে আরেকটু হলে এগিয়ে যাচ্ছিল কিয়েভ। কিন্তু বলের সঙ্গে ঠিকঠাক পা লাগাতে পারেননি দেখে সে সুযোগ হারায় কিয়েভ।

দুই মিনিট পর আবারও কিয়েভের আক্রমণ, এবার আক্রমণকারীর ভূমিকায় উরুগুয়ের উইঙ্গার কার্লোস দে পিনিয়া। তাঁর শট দুর্দান্তভাবে আটকে দেন বার্সার গোলকিপার মার্ক আন্দ্রে টের স্টেগেন। ২৮ মিনিটে শাপারেঙ্কো আরেকটা সুযোগ থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন।

default-image

তবে বার্সাও যে বসে ছিল, তা বলা যাবে না। ৩২ মিনিটে ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়ার দুর্দান্ত এক হেড পোস্টে লাগে। ৪২ মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে আসা এক ক্রসে হেড করে গোল করতে ব্যর্থ হন মিডফিল্ডার নিকো গঞ্জালেস, সেখান থেকে ফাতির কাছে বল গেলে ফাতিও জালে বল জড়াতে পারেননি।

৫৮ মিনিটে গোল করার আরেকটা সুবর্ণ সুযোগ পায় কিয়েভ। বার্সেলোনার দুর্বল রক্ষণে ফাঁক খুঁজে পেয়েছিল কিয়েভ, কিন্তু লেফটব্যাক ওলেকসান্দর কারাভায়েভ বাঁকিয়ে বলটা জালে জড়াতে পারেননি।

৬২ মিনিটে ফাতির কল্যাণে একটা পেনাল্টি পায় বার্সেলোনা, কিন্তু পরে ভিএআরের সাহায্যে রেফারি নিশ্চিত হন, ফাতি নিজেই নিজের পায়ের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে ডি-বক্সে পড়ে গিয়েছিলেন। এ কারণে সে পেনাল্টি বাতিল হয়। তবে গোল করার জন্য আর পেনাল্টির আশায় বসে থাকেননি ফাতি। রাইটব্যাক অস্কার মিঙ্গেসার ক্রসে গোল করে ৬৯ মিনিটে দলকে এগিয়ে দেন এই তরুণ। ৭৬ মিনিটে ওসমানে দেম্বেলেও বাঁ পায়ে দৃষ্টিনন্দন এক গোল করার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু বল সরাসরি চলে যায় কিয়েভ কিপারের হাতে। শেষমেশ জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে বার্সেলোনা। ভারপ্রাপ্ত কোচ সের্হি বারহুয়ান পান নিজের প্রথম জয়।


৬ পয়েন্ট নিয়ে নিজেদের গ্রুপের দ্বিতীয় স্থানে আছে বার্সেলোনা। ১২ পয়েন্ট নিয়ে সবার ওপরে আছে বায়ার্ন মিউনিখ।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন