বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার ১০ মিনিট আগে এমবাপ্পের গোলের উৎস ছিলেন লেফটব্যাক থিও হার্নান্দেজ। তাঁর ডিফেন্স চেরা পাস থেকে স্প্যানিশ গোলকিপার উনাই সিমোনকে একা পেয়ে যান এমবাপ্পে। ফ্রান্সকে এগিয়ে দিতে তাঁর অসুবিধা হয়নি। তাতেই হৃদয়ভঙ্গ হয় স্পেনের।


থিও হার্নান্দেজ যখন পাস দিলেন এমবাপ্পের উদ্দেশে, পিএসজি ফরোয়ার্ড তখন অফসাইডেই ছিলেন। তা–ও গোল কী করে হলো? নেপথ্যে আছেন এরিক গার্সিয়া। ম্যানচেস্টার সিটি থেকে সদ্যই বার্সেলোনায় যোগ দেওয়া স্পেনের এই ডিফেন্ডারের কারণেই শেষমেশ গোলটি পেয়ে যান এমবাপ্পে। ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে, গার্সিয়া বল আটকাতে যাচ্ছিলেন, আটকাতে গিয়ে বলে পা লাগিয়ে ফেলেন। যে কারণে রেফারি অ্যান্থনি টেলরের কাছে মনে হয়, গার্সিয়ার এই স্পর্শের কারণে খেলায় নতুন এক পর্যায় শুরু হয়ে যায়। রেফারি এ ব্যাখ্যাই দিয়েছেন স্পেনের কাছে।

default-image

স্পেনের অধিনায়ক সের্হিও বুসকেতস ম্যাচ–পরবর্তী সাক্ষাৎকারে রেফারির সেই ব্যাখ্যাই তুলে ধরেছেন। তবে রেফারির ব্যাখ্যায় যে তাঁরা সন্তুষ্ট, সেটি মোটেও বলা যাবে না, ‘এমবাপ্পে অফসাইডেই ছিল। কিন্তু রেফারি আমাদের জানান, এরিক বলে স্পর্শ করেছিল, যা খেলায় নতুন এক পর্যায় সৃষ্টি করে। এই ব্যাখ্যার কোনো মানেই হয় না। কারণ, বল যেন পেছনে থাকা এমবাপ্পের কাছে না যায়, সে চেষ্টাই ও করছিল। ওই পরিস্থিতিতে আর দশজন ডিফেন্ডার যা করবে, ও সেটাই করেছে।’


রেফারির এই ব্যাখ্যায় শুধু বুসকেতস বা স্পেন দলই নয়, সন্তুষ্ট হতে পারেননি বেশ কয়েকজন রেফারিং বিশ্লেষকও।

মার্কার রেফারিং বিশেষজ্ঞ আলফোনসো পেরেজ বুরুল সরাসরি দুষেছেন উয়েফার সম্প্রচার দলকে। ম্যাচের ওই পরিস্থিতিতে থিও হার্নান্দেজ যখন পাস দিচ্ছিলেন, তখন রিপ্লেতে উয়েফার সম্প্রচার দল কেন অফসাইড লাইন দেখায়নি, সেটি নিয়েই বিরক্ত তিনি।

তা হলেও প্রমাণিত হয়ে যেত যে এমবাপ্পে অনেক আগে থেকেই অফসাইডে ছিলেন, ‘সবচেয়ে আশ্চর্য লাগছে এই ভেবে যে ওরা অফসাইড লাইনটিই দেখাল না। দেখালে বোঝা যেত, এমবাপ্পে আসলেই অফসাইডে দাঁড়িয়ে ছিল। এমবাপ্পে অফসাইডে ছিল, স্পেনের ডিফেন্ডার বলে স্পর্শ পাক বা না পাক, তাতে কিছু যায়–আসে না।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন