বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কমলাপুর স্টেডিয়ামের টার্ফ খেলার উপযোগী নয় দাবি করে গত ২৫ ডিসেম্বর ফেডারেশন কাপের প্রথম দিনে মাঠে আসেনি বসুন্ধরা কিংস ও উত্তর বারিধারা। দ্বিতীয় দিনে আসেনি মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়া চক্র। ফলে প্রথম দুদিনে চার ম্যাচের ৩টিই হয়নি। প্রতিপক্ষ ওয়াকওভার পায়।

বাফুফে ৩টি দলকেই কারণ দর্শাও নোটিশ দিয়েছে। বসুন্ধরা এর কোনো জবাব দেয়নি। বারিধারা বলেছে, চোটের ভয়ে তারা কমলাপুরে খেলছে না। এই জবাব গ্রহণযোগ্য মনে করেনি ফেডারেশন। ফলে দুই দলকেই বড় শাস্তি দেওয়া হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধাকে দেওয়া কারণ দর্শানো নোটিশের উত্তর পাওয়ার শেষ সময় আজ সন্ধ্যা।

default-image

আজই দুপুরে বাফুফের শৃঙ্খলা কমিটির সভায় বসে বসুন্ধরা ও বারিধারার বিরুদ্ধে বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাফুফের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাফুফের ডিসিপ্লিনারি কোডের ৩১ নম্বর ধারা এবং এবারের বসুন্ধরা গ্রুপ ফেডারেশন কাপের ১৯.৩ ধারা অনুযায়ী সর্বসম্মতভাবে উল্লেখিত সিদ্ধান্ত হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধাও একই শাস্তি পেতে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।

বাফুফের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ও বাফুফের পেশাদার লিগ কমিটির সভাপতি সালাম মুর্শেদী আজ প্রথম আলোকে বলেন, ‘শৃঙ্খলা কমিটি বাইলজ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাইলজে আছে, কেউ না খেললে বড় শাস্তি। তা ছাড়া দর্শক মাঠে এসে ফিরে গেলে এবং টুর্নামেন্টের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও আর্থিক দায় দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট দলের ওপর বর্তাবে। দলগুলো গত ৬ ডিসেম্বর পি.টি এ-তে (পার্টিসিপেটিং টিমস এগ্রিমেন্টে) সই করেছে। কিন্তু এখন ৩টি ক্লাব সেটা লঙ্ঘন করেছে।’

বাফুফের, ৫ সদস্যের শৃঙ্খলা কমিটির চেয়ারম্যান সাবেক সরকারি কর্মকর্তা ও বাফুফের নির্বাচন কমিশনার মেজবাহ উদ্দিন বিদেশ থেকে জুমে অংশ নেন সভায়। উপস্থিত ছিলেন কমিটির ৪জন। তাঁরা সবাই সরকারি কর্মকর্তা।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন