বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের দলগুলোই আছে ‘ডি’ গ্রুপে, আর এই গ্রুপের ম্যাচগুলোর আয়োজক হওয়ার দৌড়ে বসুন্ধরার পাশাপাশি ছিল মালদ্বীপ ফুটবল ফেডারেশনও। মালদ্বীপের মাজিয়া স্পোর্টস ক্লাবও এ গ্রুপে আছে। এই গ্রুপের প্লে–অফে খেলবে মালদ্বীপেরই ইগলস ক্লাব।

সে কারণে ক্লাবগুলোর পক্ষ থেকে মালদ্বীপ ফুটবল ফেডারেশন ম্যাচগুলো নিজেদের দেশে আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছে। শেষ পর্যন্ত বসুন্ধরার প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়ে আয়োজক হিসেবে মালদ্বীপকেই বেছে নিয়েছে এএফপি।

১৮ ও ২১ আগস্ট যথাক্রমে বসুন্ধরার প্রতিপক্ষ মাজিয়া ও প্লে–অফ বিজয়ী দল। শেষ দিনে বসুন্ধরা মুখোমুখি হবে ভারতের ঐতিহ্যবাহী ক্লাব মোহনবাগানের।

মালদ্বীপের মালেতেই গত মে মাসে এএফসি কাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনার কারণে শেষ মুহূর্তে তা বাতিল হয়ে যায়।

সে সময়ে পুরোদমে প্রস্তুতি নিয়ে এএফসি কাপ খেলতে মালদ্বীপে যাওয়ার জন্য তৈরি হয়েছিল বসুন্ধরা। কিন্তু বসুন্ধরার দল বিমানবন্দরে রওনা হওয়ার আগে খবর আসে, করোনার কারণে স্থগিত করা হয়েছে টুর্নামেন্টটি।

এরপর এএফসি প্রাথমিকভাবে ৩০ জুন থেকে ৬ জুলাই ম্যাচগুলো আয়োজনের দিনক্ষণ ঠিক করেছিল।

default-image

কিন্তু বসুন্ধরার দিক থেকে তখন আবেদন করা হয় ম্যাচগুলো আরেকটু পিছিয়ে দেওয়ার। পরে টুর্নামেন্টে বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিনিধি ক্লাবটির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আগস্টে সূচি চূড়ান্ত করেছে এএফসি।

গ্রুপের খেলাগুলো হবে ১৮ থেকে ২৪ আগস্ট পর্যন্ত। এর আগে ১৫ আগস্ট প্লে–অফ ম্যাচে ভারতের বেঙ্গালুরু এফসির বিপক্ষে খেলবে মালদ্বীপের ইগলস ক্লাব।

গ্রুপে বসুন্ধরা আর মাজিয়ার সঙ্গে আছে ভারতের মোহনবাগানও। চতুর্থ দলটি হবে প্লে–অফে বিজয়ী দল।

১৮ ও ২১ আগস্ট যথাক্রমে বসুন্ধরার প্রতিপক্ষ মাজিয়া ও প্লে–অফ বিজয়ী দল। শেষ দিনে বসুন্ধরা মুখোমুখি হবে ভারতের ঐতিহ্যবাহী ক্লাব মোহনবাগানের।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন