বিজ্ঞাপন

প্রশ্ন: বাংলাদেশ, ভারত ও আফগানিস্তান—বাস্তব অর্থে কোনো দলেরই বিশ্বকাপে খেলার সম্ভাবনা নেই। এই তিন দেশের লড়াইটাকে কীভাবে দেখেন?

গুরপ্রীত: যার বিপক্ষেই খেলি না কেন, আমরা সব সময় নিজেদের সেরাটা দিয়ে খেলি। তবে আমার বিশ্বাস, আমাদের সঙ্গে বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের ম্যাচ দুটি অনেক আকর্ষণীয় হবে। জমজমাট লড়াই হবে।

দেশের মাটিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে জয়ের ব্যাপারে যথেষ্ট আশাবাদী ছিলাম। কিন্তু আমরা পারিনি। যদিও ম্যাচটিতে জয়ের ব্যাপারে আমরা অতি আত্মবিশ্বাসীও ছিলাম না। কিন্তু আমাদের যা করা উচিত ছিল, তা আমরা করতে পারিনি।
গুরপ্রীত সিং, ভারত জাতীয় ফুটবল দলের গোলরক্ষক

প্রশ্ন: ২০১৯ সালে বিশ্বকাপ বাছাইয়ের প্রথম পর্বের ম্যাচে বাংলাদেশের বিপক্ষে হারতে হারতে ১-১ গোলে ড্র করেছিল ভারত। অনেকে মনে করেন, সে ম্যাচে বাংলাদেশের জয়ই প্রাপ্য ছিল। আপনার মূল্যায়ন কী?

গুরপ্রীত: হ্যাঁ, বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচটি আমাদের জন্য হতাশার ছিল। কারণ, আগের ম্যাচে দোহায় শক্তিশালী কাতারের বিপক্ষে ভালো খেলে গোলশূন্য ড্র করেছিলাম আমরা। সে ম্যাচের অনুপ্রেরণা নিয়ে পরের ম্যাচেই দেশের মাটিতে বাংলাদেশের বিপক্ষে জয়ের ব্যাপারে যথেষ্ট আশাবাদী ছিলাম। কিন্তু আমরা পারিনি। যদিও ম্যাচটিতে জয়ের ব্যাপারে আমরা অতি আত্মবিশ্বাসীও ছিলাম না। কিন্তু আমাদের যা করা উচিত ছিল, তা আমরা করতে পারিনি।

প্রশ্ন: দোহায় ২৭টি সেভ করে কাতারের বিপক্ষে দলকে ড্র এনে দিয়েছিলেন। কিন্তু পরের ম্যাচেই কলকাতায় বাংলাদেশের বিপক্ষে যে গোল হজম করলেন, মনে হয়েছে বলের লাইনে যেতে পারেননি আপনি...

গুরপ্রীত: সত্যি বলতে কি, আমরা সেদিন সেরা ম্যাচটি খেলতে পারিনি। গোল হজম করে ম্যাচে ফেরার জন্য আমরা লড়াই করেছি এবং শেষ সময়ে (৮৮ মিনিট) আদিল খানের গোলে সমতায় ফিরি। আমি খুশি এই ভেবেই যে ফিরে আসার মতো লড়াই করেছিলাম আমরা।

default-image

প্রশ্ন: বাংলাদেশ জাতীয় দল ছাড়াও এএফসি কাপে বাংলাদেশের ক্লাবের বিপক্ষে বেশ কয়েকবার খেলেছেন। বাংলাদেশের ফুটবল নিয়ে আপনার মূল্যায়ন কী?

গুরপ্রীত: আগেও বলেছি, বাংলাদেশ জাতীয় দল অনেক উন্নতি করেছে। আমি মনে করি, ক্লাব ফুটবলের উন্নতির কারণেই এ উন্নতি এসেছে। বেঙ্গালুরু এফসির হয়ে এএফসি কাপে বাংলাদেশের ক্লাবের বিপক্ষে আমি নিয়মিত খেলি। সেখানে সব সময়ই ভালো লড়াই হয়।

প্রশ্ন: বাংলাদেশে কোনো পছন্দের খেলোয়াড় আছে আপনার?

গুরপ্রীত: জামাল ভূঁইয়াকে চিনি। সে ভালো খেলে। তার বিপক্ষে পরবর্তী ম্যাচ খেলার অপেক্ষায় আছি।

default-image

প্রশ্ন: নরওয়ের ক্লাবের হয়ে আপনার ইউরোপা লিগের বাছাইপর্বে খেলার অভিজ্ঞতা আছে। পরে ইউরোপ ছেড়ে ভারতের আইএসএলে খেলতে এলেন। এ রকম সিদ্ধান্তের পেছনে কারণ কী ছিল?

গুরপ্রীত: নরওয়েতে খেলে যা যা শিখেছি, তা আমার ক্যারিয়ারে বিশেষ কিছু। তবে পেশাদার ফুটবলার হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক ম্যাচে আমি প্রতিটি মিনিট খেলার জন্য ক্ষুধার্ত থাকি, দুর্ভাগ্যক্রমে যে সুযোগ আমি পাচ্ছিলাম না সেখানে। ইউরোপিয়ান কোনো দলে খেলা আপনার জীবনবৃত্তান্ত সমৃদ্ধ করবে ঠিকই, কিন্তু সেটার পাশাপাশি আপনাকে নিয়মিত খেলতেও তো হবে! সে জন্যই আমি ভারতে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নিই। সিদ্ধান্তটি সঠিকই ছিল। আইএসএল এমন একটি প্রতিযোগিতা, যেটির মান ও শক্তি প্রতিবছরই বাড়ছে।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন