default-image

চলতি বছর ১৪ মার্চ বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পেয়েছেন নাইজেরিয়ায় জন্ম নেওয়া এলিটা কিংসলি। এ জন্য তাঁকে বেশ বড় ধরনের বিসর্জন দিতে হয়েছে, নাইজেরিয়ার নাগরিকত্ব বাতিল করতে হয়েছে তাঁকে। সে হিসেবে কিংসলি এখন শুধুই বাংলাদেশের। মধ্যবর্তী দলবদলে স্থানীয় ফুটবলার হিসেবে তাঁকে দলে ভিড়িয়ে বাফুফের কাছে নাম জমা দিয়েছে বসুন্ধরা কিংস। কিন্তু বাংলাদেশের জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্ট না হওয়ায় লিগে তাঁর খেলা নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে। বল ঠেলে দেওয়া হয়েছিল প্লেয়ার স্ট্যাটাস কমিটির কাছে।

খেলোয়াড় হিসেবে কিংসলির নিবন্ধন বহাল রেখেছে প্লেয়ার স্ট্যাটাস কমিটি। তবে এখনই মাঠে নামতে পারবেন না কিংসলি। পেশাদার লিগ কমিটির কাছে জাতীয় পরিচয়পত্র জমা দেওয়ার পর বসুন্ধরা কিংসের জার্সিতে খেলার অনুমতি পাবেন এই স্ট্রাইকার।

বিজ্ঞাপন
default-image

আগামীকাল লিগের দ্বিতীয় পর্বে উত্তর বারিধারার বিপক্ষে মাঠে নামা হচ্ছে না তাঁর। বাফুফের কম্পিটিশন ম্যানেজার জাবের বিন তাহের আনসারি কিংসলির ব্যাপারে বলেন, ‘বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পাওয়ার কাগজপত্র জমা দিলেও রেজিস্ট্রেশনের ধারা অনুযায়ী জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টের কপি জমা না দেওয়ায় কিংসলির রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া পূর্ণাঙ্গ হয়নি। লকডাউনের কারণে যা তাঁর ক্লাব বা কিংসলি সংগ্রহ করতে পারেননি। সার্বিক বিবেচনা করে প্লেয়ার স্ট্যাটাস কমিটি কিংসলির নিবন্ধন গ্রহণ করেছে। কিন্তু তখনই খেলতে পারবেন, যখন জাতীয় পরিচয়পত্র বা পাসপোর্টের কপি জমা দেবেন।’

বাংলাদেশি পাসপোর্ট না পাওয়ায় এএফসি কাপেও কিংসলির খেলা নিয়ে আছে সংশয়। ১৪ মে মালদ্বীপে শুরু হবে এএফসি কাপ। কিন্তু পাসপোর্ট না পাওয়ায় এলিটা কিংসলির নাম এখনো পাঠাতে পারেনি বসুন্ধরা। ৭ মে পর্যন্ত খোলা আছে খেলোয়াড়দের নাম নিবন্ধনের সুযোগ। কিন্তু চলমান লকডাউনে তাঁর পাসপোর্ট তৈরি করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে বসুন্ধরা ক্লাব কর্তৃপক্ষ।

২০১১ সালে আরামবাগ ক্রীড়া সংঘের জার্সিতে বাংলাদেশ–অধ্যায় শুরু কিংসলির। এরপর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ক্রীড়াচক্র, বিজেএমসি হয়ে সর্বশেষ বাতিল হওয়া লিগ আরামবাগের হয়েই খেলেছেন ৩১ বছর বয়সী স্ট্রাইকার। করোনার কারণে লিগ বাতিল হওয়ার আগে আরামবাগের মতো খর্বশক্তির দলে খেলেও ৫ ম্যাচে ৫ গোল করে তিনিই ছিলেন সর্বোচ্চ গোলদাতা।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন