শুরুতে দুই বিদেশি খেলোয়াড়বিহীন শেখ জামালকে পিষ্ট করে ফেলছিল সাইফুল বারির দল। ৬ মিনিটেই ২-০ গোলে এগিয়ে যেতে পারত শেখ রাসেল। ২ মিনিটে গোল মিস করেন জাতীয় দলের স্ট্রাইকার মোহাম্মদ জুয়েল। ইসমায়েল গনসালভেজের কাটব্যাক বক্সের মধ্যে অরক্ষিত অবস্থায় পেয়েছিলেন। কিন্তু জুয়েলের শটটি ছিল একদম সাদামাটা।

৬ মিনিটে আরও ভালো গোলের সুযোগ নষ্ট করে জুয়েলের ভুল ভুলিয়ে দেন উইঙ্গার মান্নাফ রাব্বি। বাঁ প্রান্ত থেকে হাবীবুর রহমানের ক্রসে গোলমুখ থেকেও সঠিকভাবে পা লাগাতে পারেননি মান্নাফ। তাঁর আলতো টোকা সাইড পোস্ট দিয়ে বাইরে। এর পর ২৭ মিনিটে শাহিনের সেই দর্শনীয় গোলে উল্টো পিছিয়ে পড়ে শেখ রাসেল।

বেশিক্ষণ মন খারাপ করে থাকতে হয়নি হেমন্ত ভিনসেন্ট, সাদ উদ্দিনদের। ২ মিনিট পরই ম্যাচে সমতায় ফেরে শেখ রাসেল। এইলতন মাচাদোর রক্ষণচেরা থ্রুতে গতিতে বের হয়ে আগুয়ান গোলকিপারের সামনে থেকে ইনসাইড ডজে বলের নিয়ন্ত্রণ নেন পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড ইসমায়েল। দ্বিতীয় স্পর্শে সমতায় ফেরানো গোল। গোল করানোর পর নিজেও গোল করতে পারতেন মাচাদো। গোলপোস্ট ফাঁকা পেয়েও বল পোস্টেই রাখতে পারেননি ব্রাজিলিয়ান এই ফরোয়ার্ড।

দিনের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী ও উত্তর বারিধারার ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হওয়ায় কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট নিয়েই খেলতে নেমেছিল শেখ জামাল ও শেখ রাসেল। প্রথমার্ধ শেষে ১-১ গোলে সমতা। দ্বিতীয়ার্ধে আর গোলের জন্য মরিয়া হতে দেখা যায়নি কোনো দলকেই। এই ড্রয়ে ‘বি ’গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই কোয়ার্টার ফাইনালে পা রাখল শেখ রাসেল। রানার্সআপ শেখ জামাল।