default-image

ঘরের মাঠে বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপের ট্রফিটা হাতে তোলার অনেক স্বপ্ন ছিল বাংলাদেশের। কিন্তু তা পূরণ হলো না মাত্র এক মিনিটের দুঃখে। ফাইনালে ২ গোলে পিছিয়ে পড়েও প্রবলভাবে ফিরে এসেছিল বাংলাদেশ। ইঙ্গিত দিচ্ছিল শিরোপা জয়েরই। কিন্তু শেষ বাঁশির ঠিক আগে মহানাটকীয় এক গোল করে চ্যাম্পিয়ন হয়ে গেল মালয়েশিয়া। 

ফাইনাল দর্শক আগ্রহকে নিয়ে গিয়েছিল তুঙ্গে। গোটা স্টেডিয়াম টইটম্বুর, বাইরেও হাজারো দর্শকের ভিড়। এমন দিনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত থেকে বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপটা নিতে পারল না বাংলাদেশ দল। এটা বড় হতাশার।

বাংলাদেশ দল অবশ্য গোটা টুর্নামেন্টেই ভালো খেলেছে। শিরোপা জিতলে সব পাওয়া হতো। কিন্তু কিছুটা দুর্ভাগ্যই তাড়া করেছে মামুনুলের দলকে। মাঠে নামার আগেই চোট কেড়ে নেয় শ্রীলঙ্কা ম্যাচের জয়ের নায়ক হেমন্তকে। খেলার ৭ মিনিটেই চোট পেয়ে উঠে যান সেমিফাইনালের সেরা খেলোয়াড় জাহিদ। তবে অতীতের অনেকবারের মতো ‘ডেড বল’ পরিস্থিতিই কাল হয়েছে বাংলাদেশের জন্য। ৯০ মিনিট শেষে যোগ করা সময়ে কর্নার থেকে হেডে গোল করে স্বাগতিক দলের উৎসব প্রস্তুতি থামিয়ে দিয়েছে মালয়েশিয়া।

চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আশা শুরুতে ছিল না। তবে শেষ পর্যন্ত ফাইনালে ওঠাও কম নয় বাংলাদেশের জন্য। শেষ লড়াইয়ের স্কোরলাইন হয়তো মালয়েশিয়ার অনুকূলে ৩-২, কিন্তু ফাইনাল শেষে সবাই একমত, বাংলাদেশ আসলে হারেনি। সবার মন জয় করেছেন খেলোয়াড়েরা। এটা দেশের ফুটবলের ভবিষ্যৎ পথচলায় প্রেরণা হয়ে থাকবে।
সবচেয়ে বড় কথা, অবরোধ-হরতালের মধ্যেও টুর্নামেন্টটা নির্বিঘ্নে শেষ করতে পারা আয়োজক বাংলাদেশের জন্য বড় কৃতিত্ব। গোটা দেশ যখন অশান্ত, ঠিক তখনই গত ২৯ জানুয়ারি ৬টি দল নিয়ে ১৫ বছর পর বঙ্গবন্ধু গোল্ড কাপ শুরু করে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন। সাফল্যের সঙ্গেই গোটা আয়োজন শেষ, এখন অপেক্ষা আগামী জানুয়ারিতে পরের বঙ্গবন্ধু কাপের জন্য।

বিজ্ঞাপন
ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন