বিজ্ঞাপন

ভারতও ভাবছে বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচটি নিয়ে। করোনার বিরতি ভারতকে কিছুটা বেকায়দাতেই ফেলে দিয়েছে। ২০১৯ সালে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের এশিয়া অঞ্চলের খেলা শুরু হওয়ার পর ভারত রীতিমতো উড়ছিলই। ক্রোয়াট কোচ ইগর স্টিমাচের অধীনে সুনীল ছেত্রীরা এশীয় চ্যাম্পিয়ন ও ২০২২ বিশ্বকাপের আয়োজক কাতারের সঙ্গে দোহাতেই গোলশূন্য ড্র করে সবাইকে নড়েচড়ে বসতে বাধ্য করেছিল।

ওমানের বিপক্ষে ম্যাচটি তাদের জন্য দুর্ভাগ্যের। ১-০ গোলে এগিয়ে গিয়েও শেষ অবধি হার মানতে হয়েছিল ওমানের শক্তিমত্তার কাছে। বাংলাদেশ ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে জিতে পয়েন্ট তালিকায় এগিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য থাকলেও সেটি বাস্তবায়িত হয়নি। বাংলাদেশের কাছে ‘অপ্রত্যাশিত’ ধাক্কার পর আফগানিস্তানের সঙ্গেও ড্র করতে হয়েছে ভারতকে। এ মুহূর্ত ২ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট তালিকায় ভারতের অবস্থান শেষে থাকা বাংলাদেশের ঠিক ওপরেই।

দোহায় বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের বাকি তিনটি ম্যাচে মাঠে নামার আগে ভারতকে তাই ভাবতে হচ্ছে তাদের ফর্ম নিয়ে। বাংলাদেশের বিপক্ষে কলকাতার ম্যাচটি তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে তাদের এর মধ্যেও। ভারতে করোনার ভয়াবহ দ্বিতীয় ঢেউও দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে একধরনের নেতিবাচকতা তৈরি করছে।

default-image

ভারতীয় মিডফিল্ডার অনিরুদ্ধ থাপা ভুলতে পারেননি বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচটি। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের সঙ্গে এক আলাপচারিতায় তিনি বলেছেন, ‘সে ম্যাচে আমরা পজেশনভিত্তিক ফুটবল খেলেছি কিন্তু গোলের সুযোগ তৈরি আর গোল করতে না পারার কারণেই ম্যাচটা জিততে পারিনি। আফগানিস্তানের বিপক্ষেও একই দশা ছিল। এ জায়গাতেই আমাদের ঘাটতি রয়ে গেছে। সেই ঘাটতি যতটা দ্রুত সম্ভব পূরণ করতে হবে।’

ভারতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ দলের ওপর কতটা প্রভাব সৃষ্টি করেছে, সেটি নিয়েও বলেছেন অনিরুদ্ধ, ‘প্রায় প্রতিদিনই মৃত্যু সংবাদ পাচ্ছি। মৃতদের মধ্যে আমাদের আত্মীয়স্বজন, পরিচিতরাও থাকছেন। করোনা নিয়ে দুশ্চিন্তা আছে। যেকোনো মুহূর্তে আমরা বা আমাদের পরিবার–পরিজনদের যে কেউই আক্রান্ত হতে পারে।’

ভারতীয় দল কাতার রওনা হচ্ছে দুই-এক দিনের মধ্যেই। সেখানে ৩ জুন স্বাগতিক কাতারের বিপক্ষে মাঠে নামবে তারা। আফগানিস্তানের বিপক্ষে খেলা ১৫ জুন। এর আগে বাংলাদেশের বিপক্ষে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে ৭ জুন।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন