বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ কোচ আগের দিন বলেছিলেন, টুর্নামেন্টের সেরা আক্রমণভাগ মালদ্বীপের। তবে তাদের গোল করতে হবে টুর্নামেন্টের সেরা রক্ষণের বিপক্ষে। কিন্তু ব্রুজোনের ‘টুর্নামেন্টসেরা রক্ষণ’ আটকাতে পারেনি আলী আশফাক, আলী ফাসিরদের। ৪-২-৪ ছকে মালদ্বীপ আক্রমণে ৪ ফুটবলার নিয়ে প্রথম ৩০ মিনিট পর থেকে বাংলাদেশের ওপর চাপ বাড়িয়ে তোলে। সেই চাপ আর কাটিয়ে ওঠা যায়নি।

প্রথমার্ধে অবশ্য রক্ষণ ভালোই করেছে বাংলাদেশ। সমস্যা হয়েছে দ্বিতীয়ার্ধে। ব্রুজোন সেটাই বলেছেন, ‘প্রথমার্ধে আমরা ভালোই খেলেছি। রক্ষণে ডান প্রান্তে কোনো সমস্যা হয়নি, তবে বাঁ দিকটায় একটু হয়েছে। যদিও এই অর্ধটা ৫০-৫০–ই ছিল। আসলে দ্বিতয়ার্ধে আমরা ভালো খেলতে পারিনি। রক্ষণ দুটি গোল খেয়েছে। স্থানীয় দর্শকদের প্রবল আনন্দ–উল্লাসও একটা চাপ হয়েছে আমাদের ওপর।’

default-image

ম্যাচে ৩০টি ফাউল করে ৫টি হলুদ কার্ড দেখেছেন বাংলাদেশের ফুটবলাররা—ইয়াছিন আরাফাত, ইব্রাহিম, তারিক, জামাল, জুয়েল রানা। ব্রুজোন নিজেও দেখেছেন হলুদ কার্ড। ফলে তাঁর মেজাজটা এমনিতেই বিগড়ে ছিল। যে কারণে রেফারিকে একহাত নিয়েছেন। তবে মালদ্বীপের প্রশংসা করতে ভোলেননি। বলেছেন, রেফারিকে বাংলাদেশের বিপক্ষে বাঁশি না বাজালেও চলত। ব্রুজোনের কথা, ‘আমাদের হারের কারণ রেফারিং। তবে এটা মূল কারণ নয়।’

শ্রীলঙ্কাকে হারিয়ে শুরু। ভারতের সঙ্গে ১০ জন নিয়েও ড্র। স্বাগতিক মালদ্বীপের কাছে হার। ৩ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট। ফাইনালে ওঠার সম্ভাবনা এখনো আছে বাংলাদেশের। ১৩ অক্টোবর শেষ ম্যাচে হারাতেই হবে নেপালকে। সে ম্যাচে ড্র করলে কোনো সম্ভাবনা থাকবে না লাল–সবুজের। বাংলাদেশ কোচ সেটা মনে করিয়ে দিয়ে আশার গানই গাইলেন সংবাদ সম্মেলনের শেষ দিকে, ‘আমরা ১৬ অক্টোবরের ফাইনাল খেলতে চাই। নেপালের বিপক্ষে আমরা জিতব, আশা করি।’

সেদিকেই এখন তাকিয়ে বাংলাদেশ।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন