বিজ্ঞাপন

গত ৩ অক্টোবর একই স্থানে বাফুফের ২১ পদে নির্বাচন হয়েছিল। ২০ পদে ফয়সালা হলেও চার সহসভাপতির একটি পদে মহিউদ্দিন ও তাবিথ সমান ৬৫ ভোট পান। ফলে বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন দুজনের মধ্যে আবার ভোটের সিদ্ধান্ত দেন। আজ সেই ভোট হলো। ১৩৯ ভোটারের মধ্যে ১৩০জন ভোট দিয়েছেন। ৩ অক্টোবরে নির্বাচনে ভোট দেন ১৩৬জন।

দুই প্রার্থীই বাফুফের বিদায়ী কমিটির সহসভাপতি ছিলেন। তাবিথ টানা দুই মেয়াদে সহসভাপতি নির্বাচিত হন স্বতন্ত্র থেকে। তিনি জাতীয় দল কমিটির কো-চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। সালাউদ্দিনের আস্থাভাজন ছিলেন। ওদিকে মহিউদ্দিন আহমেদ সালাউদ্দিন বিরোধী পরিষদের নেতা হিসেবে আবির্ভূত হন কিছুদিন আগে। গত চার বছর বাফুফেতে অনেক অনিয়ম হয়েছে বলে একাধিকবার অভিযোগ তোলেন। এমনকি বাফুফেতে ১৮ কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগও আনেন। গত কমিটির সহসভাপতি মহিউদ্দিন এবং আরেক সহসভাপতি বাদল রায় সালাউদ্দিন বিরোধী অবস্থান নেন। তাঁরা ফুটবল ফেডারেশনের নেতৃত্বে পরিবর্তনের ডাক দিয়েছিলেন। তবে সালাউদ্দিন পরিষদ থেকেই বেশির ভাগ নির্বাচিত হয়েছেন। বিরোধী পরিষদ থেকে সহসভাপতি পদে শুধু মহিউদ্দিন নির্বাচিত হয়ে এলেন।

default-image

আজ নির্বাচনের পর আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় মহিউদ্দিন ‘যোগ্য নেতা’ হিসেবে বর্ণনা করেন চতুর্থবারের মতো বাফুফের সভাপতি নির্বাচিত হওয়া কাজী সালাউদ্দিনকে। তাহলে এত দিন কেন সালাউদ্দিনের সমালোচনা করলেন, নানা অভিযোগ তুললেন? এমন প্রশ্নে তাঁর কথা, ‘ভোটাররা তাঁকে (কাজী সালাউদ্দিন) সর্বোচ্চ ভোটে সভাপতি নির্বাচিত করেছেন। কাজেই ভোটের ফলই বলছে তিনি যোগ্য নেতা।’ মহিউদ্দিনের দাবি, ‘কাজী সালাউদ্দিনের সঙ্গে আমার কোনো বিরোধ নেই।’ বাফুফের কঠোর সমালোচক মহিউদ্দিন আহমেদের কণ্ঠ নির্বাচনের পর বেশ নরম শোনা গেল।

দীর্ঘদিন থেকে ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা উল্লেখ করে মহিউদ্দিন বলেন, ‘বাফুফে যে ধরনের পরিকল্পনা করে এগোচ্ছে, আমি এর সঙ্গে যুক্ত থেকে ফুটবলের উন্নয়নে পাশে থাকব।’ পাশাপাশি ফেডারেশন নেওয়া গঠনমূলক কর্মকাণ্ড সমর্থন করবেন বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। ফুটবল উন্নয়নে পাশে থাকার কথা বারবারই এসেছে তাঁর প্রতিক্রিয়ায়। তবে অতীতে দেখা গেছে নির্বাচনের পরই শুরু হয়ে যায় নানা বিরোধ আর আস্থার সংকট।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন