মেসি ও রোনালদোকে আর চ্যাম্পিয়নস লিগে দেখা যাবে না?
মেসি ও রোনালদোকে আর চ্যাম্পিয়নস লিগে দেখা যাবে না?ফাইল ছবি: রয়টার্স

একই মৌসুমে ইউরোপের বড় বড় দলকে অন্তত একবার মুখোমুখি করাতে ‘ইউরোপিয়ান সুপার লিগ’ নামে একটা টুর্নামেন্টের জন্ম দেওয়া হচ্ছে। ফিফা ও উয়েফার কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলে দেওয়া এই লিগে প্রাথমিকভাবে নাম লিখিয়েছে ১২ দল। প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে আরও তিন ক্লাবের যোগ দেওয়ার কথা। এই ১৫ ক্লাবের সঙ্গে প্রতি মৌসুমে আরও পাঁচ ক্লাবকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। প্রতি সপ্তাহের মঙ্গল-বুধবার রাত এই টুর্নামেন্টের জন্য বরাদ্দ রাখবে ২০ দল। অনেকের কাছেই ‘বিদ্রোহী’ তকমা পাওয়া এই লিগ মাঠে গড়ালে ইউরোপিয়ান ফুটবলের চিরাচরিত কাঠামো পাল্টে যেতে পারে।

ইউরোপিয়ান সুপার লিগের মূল উদ্যোক্তা হিসেবে দুজনের নামই শোনা গেছে, জুভেন্টাস সভাপতি আন্দ্রেয়া আনেয়েল্লি ও রিয়াল মাদ্রিদ সভাপতি ফ্লোরেন্তিনো পেরেজ। স্বাভাবিকভাবেই এই দুই ক্লাবই নেতৃত্ব দিচ্ছে এই বিদ্রোহের। সঙ্গী হিসেবে পাচ্ছে বার্সেলোনা, আতলেতিকো মাদ্রিদ, ইন্টার মিলান, এসি মিলান, লিভারপুল, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, ম্যানচেস্টার সিটি, আর্সেনাল, চেলসি ও টটেনহামকে। এখন পর্যন্ত জার্মানি ও ফ্রান্সের কোনো ক্লাবের নাম শোনা যায়নি ইউরোপিয়ান সুপার লিগে। তবে আটটি শূন্যস্থান পূরণ করতে যেকোনো সময় হাজির হয়ে যেতে পারে যেকোনো ক্লাব। ৪০০ কোটি ইউরোর এক টুর্নামেন্টের প্রলোভন এড়ানো খুব কম ক্লাবের পক্ষেই সম্ভব।

বিজ্ঞাপন

এই লিগের পক্ষে–বিপক্ষে অনেক কিছুই শোনা যাচ্ছে। ক্লাবগুলো ঘরোয়া লিগ নিয়মিত খেলবে, শুধু আর্থিক দিকটা সুনিশ্চিত করতে চ্যাম্পিয়নস লিগের বদলে ইউরোপিয়ান সুপার কাপ খেলতে চাইছে। উয়েফার নিয়মনীতির ফাঁকফোকরের কারণে ঐতিহ্যবাহী ক্লাবগুলো অস্তিত্বের সংকটে পড়ে যাওয়াতেই নাকি এমন উদ্যোগ! এদিকে এভাবে ভিন্ন একটি লিগ চালু করে ফুটবলের আদি ও অকৃত্রিম সৌন্দর্যহানির অভিযোগ তোলা হচ্ছে এই ক্লাবগুলোর বিপক্ষে। পাঠক আপনার কী ধারণা?

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন