বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

২০১৯ সালে গ্রিজমানকে পেতে আতলেতিকোর বেঁধে দেওয়া রিলিজ ক্লজের পুরোটাই অর্থাৎ ১২ কোটি ইউরো দিয়েছে বার্সেলোনা। কিন্তু দলবদলের মৌসুম শুরু হওয়ার আগেই গ্রিজমানের সঙ্গে আলাপ করা হয়েছে এই যুক্তি দেখিয়ে আতলেতিকো আরও ৮ কোটি ইউরো চেয়েছিল বার্সেলোনার কাছে। স্পোর্ত জানিয়েছে, ঝামেলা এড়াতে আতলেতিকোকে আরও ১ কোটি ৫০ লাখ ইউরো দিয়েছিল বার্সা। কিন্তু গ্রিজমানের জন্য বার্সেলোনার খরচের সে তো মাত্রই শুরু!

বার্সেলোনার সঙ্গে পাঁচ বছরের চুক্তি করেছিলেন গ্রিজমান। এই চুক্তি স্বাক্ষরের বোনাস হিসেবেই তাঁকে ৫০ লাখ ইউরো দেওয়া হয়েছিল। আর তাঁকে ৫ বছরে ১৭ কোটি ৭০ লাখ ইউরো আয়ের সুযোগ করে দিয়েছিল বার্সা।

default-image

স্পোর্ত জানাচ্ছে, প্রথম মৌসুমে কর বাদেই ১ কোটি ৭০ লাখ ইউরো নির্দিষ্ট বেতন পেয়েছেন গ্রিজমান। কিন্তু গ্রিজমানের প্রাপ্তি ছিল আরও বেশি। বেশ কিছু শর্ত সাপেক্ষে প্রথম মৌসুমে গ্রিজমান আসলে পেয়েছিলেন ২ কোটি ৫৫ লাখ ইউরো। দ্বিতীয় মৌসুমে সে বেতন দাঁড়িয়েছিল ২ কোটি ১০ লাখ ইউরোতে। এর মধ্যে দুই মৌসুমেই ২৫ লাখ ইউরো করে পেয়েছিলেন মৌসুমে অন্তত ৬০ ভাগ সময় মাঠে থাকার শর্ত পূরণ করায়।

গ্রিজমান যদি সব শর্ত পূরণ করতে পারতেন, তাহলে প্রথম মৌসুমে তাঁর প্রাপ্তি হতো ৩ কোটি ৩৫ লাখ ইউরো, দ্বিতীয় মৌসুমে ২ কোটি ৯৫ লাখ ইউরো। তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম মৌসুমে যথাক্রমে ৩ কোটি ৭৫ লাখ ইউরো, ৩ কোটি ৮০ লাখ ও ৩ কোটি ৯০ লাখ ইউরো পেতেন গ্রিজমান।

default-image

তবে শর্তগুলো বেশ কঠিন ছিল। যেমন একটি শর্ত ছিল, বার্সেলোনা যদি ট্রেবল জিতত, সে ক্ষেত্রে গ্রিজমান পেতেন ৪০ লাখ ইউরো। এ ছাড়া যদি ব্যালন ডি’অর জিততেন, সে ক্ষেত্রে আরও ১০ লাখ ইউরো পেতেন। ব্যালন ডি’অর জিততে না পারলেও শুধু লা লিগার সেরা খেলোয়াড় হলেই ৫ লাখ ইউরো পাওয়ার সম্ভাবনা ছিল। ফিফা বা উয়েফার বর্ষসেরা খেলোয়াড় হতে পারলেও আরও সাড়ে ৭ লাখ ইউরো করে মিলত তাঁর।

বলা বাহুল্য, বার্সেলোনায় থাকা অবস্থায় এর কোনোটিই করতে পারেননি গ্রিজমান। ক্লাবে বেতনের দিক থেকে শুধু মেসির পরেই থাকা গ্রিজমান প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেননি। তাই দুই বছর পরই পুরোনো ক্লাবে ফিরে গেছেন। বার্সেলোনা চাইলে এটুকু সান্ত্বনা পেতে পারে, গ্রিজমানের পেছনে বেতন–ভাতা হিসেবে ১৭ কোটি ৭০ লাখ নয়, ৪ কোটি ৬৫ লাখ ইউরোই শুধু খরচ হয়েছে তাদের।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন