বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

এখন যে ক্লাবের সংকট পুরোপুরি কেটেছে, বলা যাবে না। তবে অন্তত তাঁরা যে খারাপ অবস্থা কাটাতে চেষ্টা করে যাচ্ছে, সেটা নিশ্চিত। মৌসুমের শুরুতে করা ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন কোচ রোনাল্ড কোমান দলকে এখনো লিগের দৌড়ে টিকিয়ে রেখেছেন, চ্যাম্পিয়নস লিগ থেকে বাদ পড়লেও গত রাতে ক্লাবে এসেছে মৌসুমের প্রথম শিরোপা—কোপা দেল রে। দুর্নীতিগ্রস্ত সাবেক সভাপতি জোসেপ মারিয়া বার্তোমেউর জায়গায় দলে এসেছেন মেসির পক্ষের লোক হোয়ান লাপোর্তা। মেসিও এখন আর ক্লাব ছাড়ার কথা সেভাবে বলেন না। যদিও এখনো দলের হয়ে নতুন চুক্তিতে সই করেননি, তা–ও দলের হয়ে মেসির সাম্প্রতিক পারফরম্যান্স ও ভাবভঙ্গি সমর্থকদের আশা জোগায়। ক্যাম্প ন্যুর ওপর কালো মেঘের ঘনঘটার মধ্যেও তাই যেন ইতিউতি করে উঁকি মারতে চাইছে ইতিবাচকতার সূর্যালোক। ফলে আশাবাদী হতে তো আর সমস্যা নেই, তাই না?

বার্সেলোনার সমর্থকেরাও তাই এখন আশাবাদী। প্রশ্ন তাই উঠেই যায়, বার্সেলোনা কী তবে নতুন যুগে পা রাখল? যে যুগে শুধু সাফল্যই ধরা দেবে!

এত আগে এ ব্যাপারে ইতিবাচক বা নেতিবাচক—কোনো কিছু বলাটা বোকামি। কিন্তু গত রাতে কোপা দেল রে জেতার পর বার্সার খেলোয়াড়েরা যে গেঞ্জি পরে উদ্‌যাপন করেছেন, তা দেখে মনে হতেই পারে, নতুন যুগ বুঝি এসেই গেছে বার্সায়!

ট্রফি নিয়ে উদ্‌যাপনের সময় মেসিদের গেঞ্জিতে লেখা ছিল, ‘নতুন যুগের প্রথম শিরোপা’। দলে এখন নতুন সভাপতি, নতুন কোচ। মেসি চুক্তি সই করলে তাঁকেও একটা নতুন খেলোয়াড় হিসেবেই হয়তো ধরা যায়! যে খেলোয়াড় দলের বাজে অবস্থা কাটানোর জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। যে খেলোয়াড় আরও শিরোপার বন্যায় দলকে ভাসিয়ে দেওয়ার জন্য প্রস্তুত।

মেসি-লাপোর্তা-কোমান ত্রয়ী কি সে সাফল্য এনে দিতে পারবেন দলকে? গেঞ্জির লেখাটা কিন্তু বার্সেলোনাকে অন্তত সেই ইতিবাচক ইঙ্গিতটাই দিচ্ছে!

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন