এজস্টেইনের শটটা আটকাতে পারেননি নয়্যার।
এজস্টেইনের শটটা আটকাতে পারেননি নয়্যার। ছবি: রয়টার্স

নিজেদের মাঠে শেষ কবে পয়েন্ট খুইয়েছিল বায়ার্ন মিউনিখ? আশ্রয় নিতে হলো দিনপঞ্জিকার। জানা গেল, এ বছরের ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে লাইপজিগের বিপক্ষে নিজেদের মাঠে ড্র করেছিল বায়ার্ন। ম্যাচটা শেষ হয়েছিল গোলশূন্যভাবে। লাইপজিগের পোস্ট বরাবর ১১টা শট নিয়েও গোল করতে পারেননি লেফানডফস্কি, ন্যাব্রি।

এরপর বায়ার্নের মাঠে খেলতে আসা মানেই প্রতিপক্ষের জন্য যেন দুঃস্বপ্নের নামান্তর ছিল। একের পর এক ম্যাচ জিতে নিজেদের ধরাছোঁয়ার বাইরে নিয়ে গেছে বায়ার্ন। লিগ, কাপের পাশাপাশি চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতে গড়েছে ট্রেবলজয়ের কীর্তি। অদম্য বায়ার্নকে তাদের মাটিতে কি আটকানো সম্ভব? প্রশ্নটা উঠেই গিয়েছিল। শেষমেশ জবাব এল। তবে লাইপজিগ বা ডর্টমুন্ডের মতো জার্মান লিগের অপেক্ষাকৃত শক্তিশালী দলের কাছ থেকে নয়, জবাবটা এল জার্মান লিগের ‘ঘুমন্ত দৈত্য’ ভেরডার ব্রেমেনের কাছ থেকে। গতবার কোনোভাবে অবনমন এড়ানো এই দলটাই গত রাতে খেলতে এসেছিল বায়ার্নের আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায়। খেলতে এসেই কিস্তিমাত। ম্যাচ হয়তো তারা জেতেনি, তবে সবাইকে জানিয়ে দিয়েছে, কীভাবে নিজেদের মাঠে বায়ার্ন নামক দৈত্যকে চুপ করিয়ে রাখা যায়। বায়ার্নের সঙ্গে ১-১ গোলে ড্র করে এসেছে তারা।

default-image
বিজ্ঞাপন

লিরয় সানে, লেওন গোরেৎস্কা, সার্জ ন্যাব্রির মতো তারকাদের বসিয়ে দল সাজিয়েছিলেন বায়ার্ন কোচ হান্সি ফ্লিক। এগিয়ে যাওয়া তো দূর, ম্যাচে বরং শুরুতে পিছিয়েই পড়েছিল বায়ার্ন। প্রথমার্ধের ঠিক শেষ দিকে ম্যাক্সিমিলিয়ান এজেস্টেইনের গোলে এগিয়ে যায় ব্রেমেন। দ্বিতীয়ার্ধে ৬২ মিনিটে সমতা আসে বায়ার্নের ফরাসি উইঙ্গার কিংসলে কোমানের পা থেকে। পরে সানে, ন্যাব্রিরা নেমেও জয়সূচক গোল করতে পারেননি। যাতে ম্যাচ শেষে নিশ্চিত হয়েছে, সাড়ে আট মাস পর, ১৩ ম্যাচ একটানা জিতে অবশেষে ঘরের মাটিতে পয়েন্ট হারাচ্ছে বায়ার্ন।

default-image

অথচ গত কয়েক বছরে এই আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় খেলতে এসে রীতিমতো নাস্তানাবুদ হয়ে ফিরতে হতো ব্রেমেনকে। এর আগের চার বছরে বায়ার্নের মাঠে বায়ার্ন-ব্রেমেন ম্যাচের স্কোরলাইন ছিল ৭-১, ৬-০, ৬-১, ৫-০। সে ব্রেমেনের কাছেই এবার পয়েন্ট হারাতে হলো বায়ার্নকে।

ড্র করে বায়ার্নের অবশ্য তেমন সমস্যা হয়নি, ১৯ পয়েন্ট নিয়ে তারা এখনো পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে। ১ পয়েন্ট কম নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে বরুসিয়া ডর্টমুন্ড।

মন্তব্য পড়ুন 0