বিজ্ঞাপন

লিরয় সানে, লেওন গোরেৎস্কা, সার্জ ন্যাব্রির মতো তারকাদের বসিয়ে দল সাজিয়েছিলেন বায়ার্ন কোচ হান্সি ফ্লিক। এগিয়ে যাওয়া তো দূর, ম্যাচে বরং শুরুতে পিছিয়েই পড়েছিল বায়ার্ন। প্রথমার্ধের ঠিক শেষ দিকে ম্যাক্সিমিলিয়ান এজেস্টেইনের গোলে এগিয়ে যায় ব্রেমেন। দ্বিতীয়ার্ধে ৬২ মিনিটে সমতা আসে বায়ার্নের ফরাসি উইঙ্গার কিংসলে কোমানের পা থেকে। পরে সানে, ন্যাব্রিরা নেমেও জয়সূচক গোল করতে পারেননি। যাতে ম্যাচ শেষে নিশ্চিত হয়েছে, সাড়ে আট মাস পর, ১৩ ম্যাচ একটানা জিতে অবশেষে ঘরের মাটিতে পয়েন্ট হারাচ্ছে বায়ার্ন।

default-image

অথচ গত কয়েক বছরে এই আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় খেলতে এসে রীতিমতো নাস্তানাবুদ হয়ে ফিরতে হতো ব্রেমেনকে। এর আগের চার বছরে বায়ার্নের মাঠে বায়ার্ন-ব্রেমেন ম্যাচের স্কোরলাইন ছিল ৭-১, ৬-০, ৬-১, ৫-০। সে ব্রেমেনের কাছেই এবার পয়েন্ট হারাতে হলো বায়ার্নকে।

ড্র করে বায়ার্নের অবশ্য তেমন সমস্যা হয়নি, ১৯ পয়েন্ট নিয়ে তারা এখনো পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে। ১ পয়েন্ট কম নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে বরুসিয়া ডর্টমুন্ড।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন