default-image

নিকট অতীতে ডার ক্লাসিকার আর আগের মতো জমছে না। অন্য দলগুলোর সঙ্গে যতই ভালো খেলুক না কেন, বায়ার্নের সামনে চুপসে যেত ডর্টমুন্ড। ঘরের মাঠেই লিগে প্রথমবারের দেখায় হেরেছে ৩-২ গোলে। জার্মান সুপার কাপেও হেরেছে ডর্টমুন্ড। আজও অন্য কিছু হয়নি। যে ম্যাচকে রবার্ট লেভানডফস্কি বনাম আরলিং হরলান্ডের ম্যাচ বলা হচ্ছিল, সে ম্যাচেই আবারও আড়ালে চলে গেছেন হরলান্ড।

default-image

ম্যাচের ১৫ মিনিটেই দলকে এগিয়ে দিয়েছেন সার্জ ন্যাব্রি। ডর্টমুন্ডের বক্স থেকে বল ছিটকে এসেছিল তাঁর পায়ে। দারুণ নিয়ন্ত্রণে বল দখলে নিলেন এই উইঙ্গার। তারপর দুর্দান্ত এক ভলি। বক্সের বাইরে থেকে গোলার মতো সে শট ঠেকানোর উপায় ছিল না মারউইন হিৎজের। এরপর ১৪ মিনিট পর ব্যবধান বাড়িয়েছিলেন ন্যাব্রি। কিন্তু অফসাইডের কারণে সে গোল বাতিল করে ভিএআর। এ নিয়ে হাপিত্যেশ মাত্র ৫ মিনিট করতে হয়েছে বায়ার্নকে। ৩৪ মিনিটেই ২-০ করেছেন লেভানডফস্কি।

default-image

দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ম্যাচটা জমবে বলে মনে হচ্ছিল। দারুণ ১৫টা মিনিট পার করেছে ডর্টমুন্ড। এর মধ্যে ৫২ মিনিটে মার্কো রয়েসকে বক্সে ফেলে দেন ইউশুয়া কিমিখ। পেনাল্টি থেকে ব্যবধান কমান এমরে চান। ৬০ মিনিটে আরেকটি পেনাল্টির জোরালো আবেদন উঠছিল। কিন্তু জুড বেলিংহামকে বেঞ্জামিন পাভার ফেলে দিলেও সেটা আইন সংগত মনে হয়েছে রেফারি ও ভিএআরের।

এর পর ডর্টমুন্ডকে নিয়ে খেলেছে বায়ার্ন। নিজেদের পায়ে বল দখলে রেখে প্রতিপক্ষকে হতাশ করেছে। প্রতি আক্রমণে ওঠার চেষ্টাগুলো দানা বাঁধছিল না ডর্টমুন্ডের। এর মাঝে বদলি নেমে ৮৩ মিনিটে ৩-১ করে ফেলেন জামাল মুসিয়ালা।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন