এক বিবৃতিতে গিগস বলেছেন, ‘অনেক ভাবনাচিন্তার পর আমি এ মুহূর্তে ওয়েলস ছেলেদের জাতীয় দলের কোচের পদ ছেড়ে দিচ্ছি। দেশের কোচ হওয়া আমার জন্য অনেক সম্মানের এক বিষয়। কিন্তু প্রধান কোচকে ঘিরে কোনো শঙ্কা ও ধোঁয়াশা ছাড়া ওয়েলস ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন, কোচিং স্টাফ খেলোয়াড়দের বিশ্বকাপের প্রস্তুতি নেওয়াটাই সঠিক পদক্ষেপ। তবে মামলায় দেরি হওয়াটা কারও দোষ নয়। আমি চাইনি, এ মামলার কারণে দেশের বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ক্ষতিগ্রস্ত হোক।’

রবার্ট পেইজ কোচের দায়িত্ব নেওয়ার পর কাতার বিশ্বকাপে খেলার টিকিট কেটেছে ওয়েলস। ১৯৫৮ সালের পর প্রথম বিশ্বকাপে খেলবে গ্যারেথ বেলের দেশ।

২০১৪ সালে অবসর নেওয়ার আগে ইউনাইটেডের হয়ে রেকর্ড ৯৬৩ ম্যাচ খেলেছেন গিগস। ওয়েলসের হয়েও খেলেছেন ৬৪ ম্যাচ। ২০১৮ সালে ওয়েলস কোচের দায়িত্ব নিয়ে দেশকে সর্বশেষ ইউরোর মূলপর্বে তুলেছিলেন গিগস। তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করে ওয়েলস ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এফএডব্লিউ) বিবৃতিতে বলেছে, ‘ওয়েলসের ছেলেদের জাতীয় দলের কোচ হিসেবে রায়ান গিগসের দেওয়া সময়ের জন্য কৃতজ্ঞতা। ওয়েলস ফুটবলের স্বার্থরক্ষায় তিনি যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, আমরা তার প্রশংসা করছি।’

২০১৯ সালের আগস্ট থেকে গিগসের সহকারী হিসেবে কাজ করা পেইজ ২০২০ সালের নভেম্বরে কোচের দায়িত্ব নিয়ে ওয়েলসকে নেশনস লিগের গ্রুপ পর্বে শীর্ষস্থানে তুলেছেন। বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের প্লে অফে ইউক্রেনকে হারিয়ে কাতারের টিকিট পেয়েছে ওয়েলস। পেইজের অধীন গত ইউরোর শেষ ষোলোয়ও উঠেছিল ওয়েলস।

ইংলিশ দৈনিক ডেইলি মিরর ২০২০ সালের নভেম্বরে জানিয়েছিল, বান্ধবী ও আরেক নারীর গায়ে হাত তুলেছেন গিগস। গ্রেপ্তার হওয়ার পর ঘটনাটি আদালত পর্যন্ত গড়ায় এবং গিগস নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন। আপাতত জামিনে আছেন তিনি।

ম্যানচেস্টার ক্রাউন কোর্টে গত ২৪ জানুয়ারি গিগসের শুনানি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শুনানির দিনক্ষণ ৮ আগস্ট পর্যন্ত পেছানোয় কোচের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন গিগস বলে জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা রয়টার্স।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন