বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

পর্তুগালের সর্বকালের সেরা খেলোয়াড় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। কিংবদন্তি ইউসেবিওর জীবদ্দশাতেই রোনালদো পর্তুগালের ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড় হয়ে উঠেছিলেন। গত কয়েক বছরে দেশের হয়ে দুটি শিরোপা জয় আর ক্লাব ফুটবলে অবিশ্বাস্য ধারাবাহিকতা দেখিয়ে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। নিজের ক্যারিয়ারের শেষ ভাগে জাতীয় দলেও দুর্দান্ত কিছু সঙ্গী পাচ্ছেন। রক্ষণে রুবেন দিয়াজ, জোয়াও কানসেলো, নুনো মেন্দেজকে পেয়েছেন। মধ্যমাঠে ব্রুনো ফার্নান্দেজ, রেনাতো সানচেজ। আক্রমণে জোয়াও ফেলিক্স, দিয়োগো জোতা, গনসালো গেদেস, রাফায়েল লিয়াও ও বের্নার্দো সিলভা।

default-image

এমন এক স্কোয়াড নিয়েও কাতার বিশ্বকাপে জায়গা করতে পারেননি রোনালদো। ক্লাব ফুটবলেও ছিল হতাশা। নয় মৌসুম পর সিরি ‘আ’ শিরোপা হাতছাড়া হয়েছে জুভেন্টাসের। নতুন মৌসুমেই দল বদলে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে ফিরেছেন রোনালদো। ইউনাইটেডে নিয়মিত গোল পাচ্ছেন রোনালদো। কিন্তু সে গোলও কোচ উলে গুনার সুলশারের চাকরি খোয়ানো ঠেকাতে পারেননি।

ওদিকে মাঝে দুই বছর ‘ঘুমিয়ে’ কাটানো বের্নার্দ সিলভা এই মৌসুমে আবার নিজেকে ফিরে পেয়েছেন। যে ফর্ম দেখে তাঁকে মোনাকো থেকে টেনেছিলেন পেপ গার্দিওলা, প্রথম মৌসুমে যেভাবে আলো ছড়িয়েছিলেন, সেটা আবার দেখা যাচ্ছে। গত দুই সপ্তাহে তো যখনই সুযোগ পাচ্ছেন, গার্দিওলা তাঁকে প্রিমিয়ার লিগের সেরা খেলোয়াড় বলছেন। সবাই এতে মোহাম্মদ সালাহর প্রসঙ্গ টেনে আনলেও রোনালদোর কথা যেন ভুলেই যাচ্ছিলেন। যে লিগে রোনালদো খেলেন, সেই লিগেরই সেরা খেলোয়াড় যদি সিলভা হন, তাহলে যে পর্তুগালের সেরা খেলোয়াড়ও এখন সিলভা।

default-image

‘যুক্তিবিদ্যা’ ব্যবহার করে যাঁরা সমাধান টানতে পারছিলেন না, তাঁদের সহযোগিতায় এগিয়ে এসেছেন উইলশেয়ার। সাবেক আর্সেনাল মিডফিল্ডার টকস্পোর্টে কথা বলতে গিয়ে বলেছেন, ‘ক্রিস্টিয়ানো সেরা পর্তুগিজ? এই মুহূর্তে সেরা বের্নার্দো সিলভা। আমি ওকে সবার ওপরেই দেখি। যে ক্যারিয়ার কাটিয়েছে তারপর আমি বলছি না সে ক্রিস্টিয়ানোর চেয়ে ভালো। কিন্তু আগামীকাল যদি কোনো ম্যাচ থাকে আমার দলের জন্য বের্নার্দো সিলভাকে বেছে নেব।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন