বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

বার্সেলোনার বিপক্ষে অসাধারণ জয় পাওয়ার এই দিনে জোড়া গোল করেছেন উরুগুইয়ান ফরোয়ার্ড দারউইন নিউনেজ। বাকি গোলটা পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড রাফা সিলভার। গোল করা, শট নেওয়া দূরে থাকুক, বার্সেলোনার জন্য রাতটা আরও দুঃসহ বানিয়েছেন স্প্যানিশ ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়া — লাল কার্ড দেখার মাধ্যমে।

শুধু যে এই ম্যাচে বার্সেলোনা গোল করতে পারল না বা গোল বরাবর শট নিতে পারল না, তা কিন্তু নয়। বায়ার্নের বিপক্ষে আগের ম্যাচটাতেও গোল বরাবর একটা শট নিতে পারেনি তাঁরা। বায়ার্নের মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে শট নেওয়ার এই ব্যর্থতা বার্সা সমর্থকেরা কোনোরকমে সহ্য করতে পারলেও, বেনফিকার মতো সঙ্গে দলের এমন অবস্থা তাঁরা কীভাবে সহ্য করেন, সেটাই দেখার বিষয়!

বার্সেলোনা এখন কীভাবে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠতে পারে, সেটাই চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এখন। যথারীতি ৩-৫-২ ছকে দলকে মাঠে নামিয়েছিলেন রোনাল্ড কোমান। বায়ার্ন ম্যাচের মতো এই ম্যাচেও আক্রমণভাগে জুটি বেঁধেছিলেন দলের নতুন দুই ডাচ তারকা মেম্ফিস ডিপাই ও লুক ডি ইয়ং।

বার্সার মাঝমাঠে ফিরেছেন স্প্যানিশ তারকা পেদ্রি। পেদ্রির সঙ্গে ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং ও সের্হিও বুসকেতস মিলে বেশ শক্তিশালী মাঝমাঠই পেয়েছিল বার্সা। সে তুলনায় দুই উইংব্যাক সের্হি রবের্তো ও সের্হিনিও দেস্তকে তেমন শক্তিশালী বলা যাবে না। বিশেষ করে রাইট উইংব্যাক দেস্তকে খেলানো হয়েছে লেফট উইংব্যাক হিসেবে, যেহেতু বার্সার মূল দুই লেফট উইংব্যাক জর্দি আলবা ও আলেহান্দ্রো বালদের প্রত্যেকেই চোটে আক্রান্ত।

ম্যাচ শুরু হতে না হতেই পিছিয়ে পড়ে বার্সেলোনা। তিন মিনিটে বেনফিকাকে এগিয়ে দেন নিউনেজ। জার্মান মিডফিল্ডার ইউলিয়ান ভাইগলের পাস খুব সহজেই খুঁজে নেয় নিউনেজকে, যে ফরোয়ার্ড তাঁর দুর্দান্ত গতির সাহায্যে বার্সেলোনার 'হাই লাইন ডিফেন্স' কে ছত্রখান করে ডান দিক থেকে বল কাটিয়ে এনে দুর্দান্তভাবে গোল করেন।

নিউনেজের গতির কাছে একরকম স্তব্ধ হয়ে ছিলেন এরিক গার্সিয়া ও জেরার্দ পিকেরা। ৬৯ মিনিটে ইউক্রেনিয়ান স্ট্রাইকার রোমান ইয়ারেমচুকের সঙ্গে বল আদান-প্রদান করতে করতে বিপজ্জনকভাবে বার্সার ডি-বক্সে ঢুকে যান ইউরোজয়ী পর্তুগিজ মিডফিল্ডার জোয়াও মারিও।

default-image

মারিওর শট বার্সেলোনার গোলকিপার টের স্টেগেন আটকে দিলেও ফিরতি শটে গোল করে বসেন পর্তুগিজ ফরোয়ার্ড রাফা সিলভা। এর একটু পরেই ডি-বক্সে বলে হাত লাগিয়ে দলের বিপদ বাড়ান দেস্ত। সেখান থেকে পাওয়া পেনাল্টিতে ব্যবধান ৩-০ করে ফেলেন নিউনেজ।

এই পরাজয়ে কোচ রোনাল্ড কোমানের কপালের ভাঁজটা আরও বেড়ে যাবে নিশ্চিত। শোনা যাচ্ছে, খুব শিগগিরই হয়তো ছাঁটাই হতে পারেন এই কোচ। সে ক্ষেত্রে বার্সেলোনার পরবর্তী কোচ হতে পারেন দুই স্প্যানিশ রবের্তো মার্তিনেজ কিংবা জাভি হার্নান্দেজের মধ্যে যেকোনো একজন।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন