বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

সন্ধ্যায় টুর্নামেন্টে উদ্বোধন করতে আসার কথা ছিল একজন মন্ত্রীর। স্বাভাবিকভাবেই তাঁকে আর আনা হয়নি। মাঠে আনা বেলুনও আর ওড়ানো হয়নি। টুর্নামেন্ট উদ্বোধনের কোনো আনুষ্ঠানিকতা পালন করেনি বাফুফে। মাঠে আসা পেশাদার লিগ কমিটির সভাপতি ও বাফুফের জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি সালাম মুর্শেদীকে সাংবাদিকদের কাছে দিতে হয়েছে টুর্নামেন্টের ভবিষ্যৎ–সংক্রান্ত নানা প্রশ্নের উত্তর।

বসুন্ধরা কিংস ও উত্তর বারিধারা আজ মাঠে আসেনি কমলাপুরের ঝুঁকিপূর্ণ টার্ফে খেলা সম্ভব নয় দাবি করে। তাহলে কেন কমলাপুরে খেলা আয়োজন, সালাম বলেন, ‘আমাদের মাঠসংকট আছে। স্বাধীনতা কাপ ও ফেডারেশন কাপ কমলাপুর স্টেডিয়ামে হবে এই সিদ্ধান্ত সর্বসম্মতভাবে হয়েছিল সর্বশেষ পেশাদার লিগ কমিটির সভায়। সব ক্লাবের প্রতিনিধিই কমিটির সভায় উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তী সময়ে কেউ সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলে এটি তাদের নিজস্ব সিদ্ধান্ত।’

default-image

টুর্নামেন্টের বাইলজ অনুযায়ী, যে দুটি দল আজ মাঠে আসেনি, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানান সালাম।

ওদিকে মুক্তিযোদ্ধাও বাফুফেকে চিঠি দিয়ে ফেডারেশন কাপে খেলবে না বলেছে। ফলে ১২ দল থেকে দল কমে হচ্ছে ৯টি। শোনা যাচ্ছে, আরও দুটি দল নাম প্রত্যাহার করতে পারে। এভাবে দল কমতে থাকলে টুর্নামেন্ট আদৌ আয়োজন করা সম্ভব, এই প্রশ্নে সালামের কথা, ‘পরের ম্যাচগুলো না হওয়া পর্যন্ত আমি এ ব্যাপারে মন্তব্য করব না। তবে আমার বিশ্বাস টুর্নামেন্ট হবে।’

default-image

তিন গ্রুপ থেকে ৩টি দল নাম প্রত্যাহার করলে এই তিন গ্রুপের বাকি দুটি দল কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে যাবে কোনো ম্যাচ না খেলেই। তাহলে গ্রুপ পর্ব আয়োজনের প্রয়োজন কী, এবার সালামের জবাব, ‘যেভাবে সূচি করা হয়েছে, সেভাবেই চলবে টুর্নামেন্টে। কে খেলবে কে খেলবে না, সেটা দেখার বিষয় নয়। কেউ না খেললে নিয়ম অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ফেডারেশন কাপের বাইলজ অনুযায়ী, পরিত্যক্ত ম্যাচের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবে বাফুফের শৃঙ্খলা কমিটি।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন