default-image

অস্ট্রেলিয়ান ক্রীড়াঙ্গনে তাঁদের বলা হয় ‘পাওয়ার কাপল’ বা শক্তিমান জুটি। দুজনেই বড় মাপের তারকা। মেলবোর্ন রেবেলসের হয়ে পেশাদার রাগবিতে সুনাম কুড়িয়েছেন ম্যাট তোমুয়া। আর এলিস পেরি তো মেয়েদের ক্রিকেটে অন্যতম সেরা খেলোয়াড়দের একজন। খেলেছেন অস্ট্রেলিয়ার নারী ফুটবল জাতীয় দলেও। এক ছাদের তলে নিজেদের ঘরটা ভেঙে দিলেন এ দুই তারকা।

বিয়ের আগে মন দেওয়া নেওয়া ছিল দুজনের। তারা একসঙ্গে প্রথম জনসমক্ষে দেখা দিয়েছিলেন ২০১৩ জন ইলস পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে। এর দুই বছর পর ২০১৫ সালে বিয়ে করেন পেরি-তোমুয়া জুটি। গত কয়েক মাস ধরেই গুঞ্জন চলছিল বিচ্ছেদের পথে আছেন তারা। অস্ট্রেলিয়ান সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে কাল আনুষ্ঠানিকভাবে দাম্পত্যজীবন অবসানের যৌথ বিবৃতি দিয়েছেন দুজন। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা দুজন একে অপরের প্রতি সম্মান বজায় রেখেই এ বছরের শুরুতে বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নেই। একে অপরের বর্তমান জীবন এবং ভালো ভেবে এটাই সেরা সিদ্ধান্ত মনে হয়েছে। পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত।’

গত ফেব্রুয়ারিতে বেলিন্ডা ক্লার্ক পুরস্কার জেতেন ২৯ বছর বয়সী অলরাউন্ডার পেরি। সে অনুষ্ঠানে তাঁর হাতে বিয়ের আংটি ছিল না। এমনকি পুরস্কার জয়ের পর স্বামীর নামও মুখে আনেননি তিনি। তখন থেকেই গুঞ্জন দানা বেঁধে ওঠে, বিচ্ছেদ হচ্ছে না হয়ে গেছে? খেলার সূচির জন্য ব্যক্তিগত জীবনে একে-অপরকে খুব কম সময় দিতে পেরেছেন বলে জানিয়েছে অস্ট্রেলিয়ান সংবাদমাধ্যম।

ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে খুব কম সময়ই কথা বলেছেন পেরি। তবে অনেকের কাছেই ‘রোল মডেল’ হয়ে ওঠার পেছনে তোমুয়ার অবদানের কথা এর আগে একবার বলেছিলেন তিনি, ‘তার সঙ্গে দেখা হওয়ার পর খেলায় আরও ভালো করতে শুরু করি। এটা মোটেও কোনো কাততালীয় বিষয় না। আমার স্বামী তোমুয়া আমার জন্য যা করেছে তা আর কেউ করেনি।’ করোনা মহামারিতে লকডাউনের জন্য মেলবোর্নে আছেন পেরি। অন্যদিকে শুক্রবার রাতে সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে রেবেলসের জয়ে দারুণ ভূমিকা রাখেন তোমুয়া। দুজনের একটি কফিশপও আছে অস্ট্রেলিয়ায়।

বিজ্ঞাপন
ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন