বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন


প্রশ্ন: কলকাতার সল্টলেক স্টেডিয়ামে ইস্টবেঙ্গল বা মোহনবাগানের বিপক্ষে বিদেশি দলগুলোর জন্য খেলা তো খুব চ্যালেঞ্জিং। এত দর্শকের সমর্থন পাবেন আপনারা...

প্রীতম: প্রথমে মনে হতে পারে, এটা একটা সুবিধা। কিন্তু মাঠে নামার পর ম্যাচটি দুই দলের জন্যই সমান সমান। তখন আর দর্শকের কিছু করার থাকে না। তবে হ্যাঁ, পরিচিত মাঠ, সমর্থকের একটু সুবিধা তো থাকেই।

প্রশ্ন: শুনেছি, আবাহনী অধিনায়ক নাবিব নেওয়াজের সঙ্গে মোহনবাগানের অধিনায়কের পারিবারিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে!

প্রীতম: গত বছর জীবন ভাই (নাবিব) কলকাতায় পায়ের অস্ত্রোপচার করাতে এলে আমিই বিমানবন্দর থেকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। আমি ব্যস্ত থাকায় আমার গার্লফ্রেন্ডই ওকে বেশি সময় দিয়েছে। এখন আমাদের সম্পর্কটা দাদা–ভাইয়ের। কলকাতায় খেলতে আসার পর জীবন ভাইকে আমাদের বাড়িতেও বেড়াতে নিয়ে যাব। প্রতিদ্বন্দ্বিতা যা আছে, তা শুধু মাঠেই থাকবে।

default-image

প্রশ্ন: এই ম্যাচ নিয়ে নাবিবের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে?

প্রীতম: শ্রীলঙ্কার ক্লাবকে হারানোর পর যেদিন নিশ্চিত হলো পরের ম্যাচটি আবাহনীর বিপক্ষে খেলতে হবে, সে রাতেই জীবন ভাইকে (নাবিব) মেসেজ পাঠাই ‘দেখা হবে’। ও লিখেছে, ‘দেখা হবে, দাদা।’

প্রশ্ন: গত বছর এএফসি কাপে বসুন্ধরা কিংসের বিপক্ষে ১–১ গোলে ড্র করেছিল মোহনবাগান। অনেকেই মনে করেন, বসুন্ধরা ১–০ গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর তাদের এক খেলোয়াড় লাল কার্ড না দেখলে ম্যাচটি বসুন্ধরা অনায়াসে জিতত!

প্রীতম: জিততে পারত কি না, তা বলতে পারব না। তবে অনেক গোল হতো। বসুন্ধরা গোল করতে উঠত, আবার আমরা গোল করতে যেতাম। বসুন্ধরা দলটার মধ্যে পেশাদারত্ব আছে।

প্রশ্ন: জাতীয় দলের প্রসঙ্গে আসি। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে র‌্যাঙ্কিংয়ের পার্থক্য অনেক বড় হওয়া সত্ত্বেও দুই দলের ম্যাচে এত হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয় কেন?

প্রীতম: ক্রিকেট বলুন, ফুটবল বলুন, ভারত–বাংলাদেশ ম্যাচে কঠিন লড়াই হয়। ভারত–পাকিস্তান ম্যাচ যেমন। ওই রেষারেষিটা না থাকলে খেলা জমবে না। কিছু কিছু জায়গায় আমরা এগিয়ে আছি বলে শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশ পেরে ওঠে না। কিন্তু বাংলাদেশ যে লড়াইটা করে, আমরা সব সময় ভয়ে থাকি।

default-image

প্রশ্ন: সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে দুই দেশের সর্বশেষ ম্যাচে পিছিয়ে পড়ে ১০ খেলোয়াড় নিয়েও ভারতের বিপক্ষে ১–১ গোলে ড্র করেছিল বাংলাদেশ। সে ম্যাচের পর আপনাদের প্রতিক্রিয়া কী ছিল?

প্রীতম: ১০ খেলোয়াড় নিয়ে বাংলাদেশ যে ওভাবে আক্রমণ করবে, সেটা আমরা বুঝে উঠতে পারিনি। আমাদের বিপক্ষে গোল করেছিল বাংলাদেশের যে লেফটব্যাক (ইয়াছিন আরাফাত), সে অসাধারণ খেলোয়াড়। আমি তো মনে করতাম, তারিক কাজী এখন বাংলাদেশের সেরা খেলোয়াড়, কিন্তু সে তারিক কাজীর চেয়েও ভালো।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন