ইতালির সাবেক ফুটবলার ফ্রান্সেসকো টট্টি
ইতালির সাবেক ফুটবলার ফ্রান্সেসকো টট্টিছবি: টুইটার

তিনি ‘রোমের সম্রাট’। বিপদ-আপদে তাই ভাবনা কী! কিন্তু সম্রাটদের জীবনেও ভোগান্তি যায়, লাগে শনির দশা। গত মাস থেকে এমন সময়ের ভেতর দিয়েই যেতে হয়েছে ফ্রান্সেসকো টট্টিকে।

প্রথমে বাবা মারা গেলেন করোনাভাইরাসে, এরপর টট্টি নিজেই আক্রান্ত হলেন করোনায়, তারপর নিউমোনিয়া। না, ভুল পড়ছেন না!

বিজ্ঞাপন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এসব দুর্ভোগের কথা নিজেই জানিয়েছেন একসময়ের ‘চিরসবুজ ফুটবলার’খ্যাত ৪৪ বছর বয়সী সাবেক এই ইতালিয়ান ফরোয়ার্ড। গত মাসে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যান টট্টির বাবা এনজো টট্টি।

এরপর নভেম্বরের শুরুতে জ্বরে পড়েন টট্টি। কোভিড-১৯ পরীক্ষায় ধরা পড়ে রোমা কিংবদন্তি নিজেও সংক্রমণের শিকার। পরের প্রায় ১৫দিন ভীষণ ভুগেছেন ‘কাপিতানো’।

ইনস্টাগ্রামে কাল এক পোস্টে টট্টি লেখেন, ‘সবাই কেমন আছেন! আপনারা হয়তো জানেন, সাম্প্রতিক সপ্তাহে আমি ভালো ছিলাম না। এখন সেরে উঠেছি এবং স্বস্তি নিয়েই বলতে পারি, আমি করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলাম, এটা মোটেও পার্কে হাঁটার মতো অভিজ্ঞতা ছিল না।’

তখন নিজের শারীরিক অসুস্থতা নিয়েও জানিয়েছেন ইতালির হয়ে বিশ্বকাপজয়ী কিংবদন্তি, ‘জ্বর কমছিল না, অক্সিজেনের মাত্রাও ছিল কম। শরীরের শক্তি হারিয়ে ফেলছিলাম। পরীক্ষার পর হৃদয় ভেঙে গিয়েছিল। সার্স কোভ–২ সংক্রমণ থেকে নিউমোনিয়া!’

default-image
বিজ্ঞাপন

টট্টি জানালেন, সঠিক চিকিৎসা ও ব্যবস্থা নিলে কোভিড-১৯ সংক্রমণ থেকে বেঁচে ফেরা সম্ভব, ‘ঘরে থেকে ব্যবস্থা নিয়েই আমি সুস্থ হয়ে উঠেছি। ১৫টি দীর্ঘ দিন পার হয়েছে, তবে সে সময় আমার পাশে দাঁড়ানো ঘনিষ্ঠ সবাইকে ধন্যবাদ জানাই। সঠিক ব্যবস্থা ও চিকিৎসার মাধ্যমে কোভিডকে হারানো সম্ভব।’

ক্যারিয়ারের পুরো সময়ই ইতালিয়ান ক্লাব এএস রোমাকে দিয়েছেন টট্টি। বয়সভিত্তিক দল থেকে হিসাব কষলে মোট ২৮ বছর। রোমার হয়ে এ সময় মাত্র একবার লিগ জিতলেও টট্টি ইতালিয়ান ফুটবলের ইতিহাসে সেরা খেলোয়াড়দের একজন। ২০১৭ সালে পেশাদার ফুটবল ছাড়েন তিনি।

রোমায় চার বছর খেলা বেলজিয়ান মিডফিল্ডার রাজা নাইনগোলান টট্টির ইনস্টাগ্রাম পোস্টে মন্তব্য করেন, ‘অসাধারণ চেকো’।

মন্তব্য পড়ুন 0