ভুলতে চলা জয়ের স্বাদ জার্মানির

উয়েফা নেশনস লিগের ম্যাচে গত রাতে ইউক্রেনকে ২-১ গোলে হারিয়েছে জার্মানি। সে তো হারাবেই, ইউক্রেনের চেয়ে শক্তির বিচারে জার্মানিই তো এগিয়ে। তবু এ জয়টা জার্মানির জন্য বিশেষ কিছু। নেশনস লিগে ম্যাচ জিততে কেমন লাগে, অবশেষে তা বুঝতে পেরেছে তারা!

অবিশ্বাস্য হলেও এটাই সত্যি। উয়েফা নেশনস লিগের ইতিহাসে এর আগে কখনো জেতেনি ২০১৪ সালের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। প্রথম আসরে নেদারল্যান্ডস ও ফ্রান্সের বিপক্ষে চার ম্যাচ খেলে দুটি করে হার ও ড্র জুটেছিল কপালে। এবার স্পেন ও সুইজারল্যান্ড দুই দলের সঙ্গেই ড্র করেছিল ইওয়াখিম লুভের দল। কিন্তু এবার ইউক্রেনের কপালে জার্মানির কাছ থেকে পয়েন্ট নেওয়ার সৌভাগ্য হয়নি। কিয়েভে ইউক্রেনকে ২-১ গোলে হারিয়ে এসেছে জার্মানরা। ডিফেন্ডার ম্যাথিয়াস জিন্টারের গোলে এগিয়ে যাওয়ার পর জার্মানির হয়ে ব্যবধান বাড়ান বায়ার্নের তারকা মিডফিল্ডার লিওন গোরেৎস্কা। ইউক্রেনের হয়ে সান্ত্বনাসূচক গোলটা আতালান্তার মিডফিল্ডার রুসলান মালিনভস্কির।

বিজ্ঞাপন
default-image

২৭ মিনিটে আরেকটা সুযোগ পান ইউলিয়ান ড্রাক্সলার। তবে দূর থেকে মারা দুর্বল সে শট আটকে দেন দিনামো কিয়েভের গোলরক্ষক হিওর্হি বুশচান। ৩১ মিনিটে এবার দূরপাল্লার শট নেন কিমিখ। সে শটটাও দারুণ রিফ্লেক্সে গোল হওয়ার হাত থেকে বাঁচান ইউক্রেনের গোলরক্ষক। ৩৪ মিনিটে জিন্টারের নিখুঁত এক ক্রস খুঁজে নেয় ডিবক্সে থাকা নাবরিকে। নাবরির হেড অবিশ্বাস্যভাবে আটকে দেন বুশচান।

default-image

তবে বুশচানের এই ‘বীরত্ব’ নিষ্ফল হয়ে যায় দ্বিতীয়ার্ধে। ডান প্রান্ত থেকে ক্লস্টারম্যানের এক ক্রস ধরতে গিয়ে গড়বড় করে বসেন এই গোলরক্ষক। বল চলে যায় সামনে দাঁড়িয়ে থাকা গোরেৎস্কার মাথায়। সেখান থেকে হেড করে ব্যবধান বাড়ান বায়ার্ন মিউনিখের এই মিডফিল্ডার। ৭৫ মিনিটে বেলজিয়ান ক্লাব জেন্টের স্ট্রাইকার রোমান ইয়ারেমচুককে ডি-বক্সের মধ্যে ফেলে দেন ডিফেন্ডার নিকলাস সুলা, সেখান থেকে পেনাল্টি পায় ইউক্রেন। গোল করে ব্যবধান কমান আতালান্তার মিডফিল্ডার মালিনভস্কি। ৮২ মিনিটে নাবরি আরেকটা সুযোগ পেলেও বুশচানের কারণে ব্যবধান বাড়াতে পারেননি।

জয় নিয়ে লিগ ‘এ’–এর গ্রুপ চারে জার্মানদের অবস্থান স্পেনের পরে, দ্বিতীয়। পরবর্তী ম্যাচে তাঁদের প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0