বিজ্ঞাপন

মাজিক যোগাযোগের মাধ্যমেও ব্যাপক সমালোচনার শিকার হয়েছেন ব্র্যাডলি। তাঁকে নাকি বেশ কয়েকবার টয়লেটে যাওয়ার অনুরোধও করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি যাননি। তবে এখন এই কাণ্ডের জন্য ক্ষমা চেয়েছেন ব্র্যাডলি। তবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্র্যাডলি কিছুটা সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষেরও শিকার হয়েছেন।

মাঠে মূত্র ত্যাগ করে শাস্তি হতেই পারে, কিন্তু সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষের শিকার তিনি কীভাবে হন! ব্যাপারটা খুলেই বলা যাক। ব্র্যাডলি একজন ক্যাথলিক খ্রিস্টান। সামাজিক যোগাযো মাধ্যমে কেউ কেউ ছড়াচ্ছে প্রোটেস্টান্টদের ‘অপমাণ’ করার জন্যই নাকি ক্যাথলিক ব্র্যাডলি এমন ঘৃণিত কাণ্ড ঘটিয়েছেন।

ব্র্যাডলি নিজেও ভেবে যাচ্ছেন না তিনি সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষের শিকার কেন হচ্ছেন, ‘হ্যাঁ, আমি মাঠে মূত্রত্যাগ করেছি। আমি ক্যাথলিক খ্রিস্টান। কিন্তু ২০২০ সালে এসে আমি এমন বিদ্বেষের শিকার কেন হব? আমার প্রচুর বন্ধু আছে, যারা প্রোটেস্টান্ট। আমি তাদের অপমাণ কেন করব?’

দলের গুরুত্বপূর্ণ এ খেলোয়াড়ের শাস্তি মেনে নিলেও তাঁর প্রতি সাম্প্রদায়িক আক্রমণ মেনে নিতে পারছে না ব্র্যাডলির ক্লাব কোলেরাইন। তাঁরা এটাকে অন্যায় আচরণ হিসেবেই দেখছে তারা।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন