বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

ম্যাচটির পর কেউ কেউ আবার সমালোচনার তির ছুড়ছেন ইতালির খেলোয়াড়দের দিকে। ইতালির সংবাদমাধ্যম তো মানচিনি কবে যাবেন তা নিয়ে আলোচনা শুরু করে দিয়েছে। তাঁর জায়গায় ফ্যাবিও ক্যানাভারো আসতে পারেন বলে জানিয়েছে তারা।

হারের ধকল সয়ে গতকাল হয়তো একটু ধাতস্থ হয়েছেন মানচিনি। মেসিডোনিয়ার কাছে হার নিয়ে কথা বলেছেন তিনি। গতকাল ইনস্টাগ্রামে সমালোচকদের উদ্দেশেই হয়তো লিখেছেন, ‘গত গ্রীষ্মে আমরা ছিলাম ইউরোপের চূড়ায়। এবার আমরা অন্যতম উতরাই দেখলাম। আমরা চরম আনন্দ থেকে ভয়ংকর হতাশা দেখেছি।’ মানচিনি আসল কথাটা বলেছেন এরপর, ‘এটা মেনে নেওয়া সত্যি খুব কঠিন। এবার বলা যায় একরকম তলানিতে।’

default-image

মানচিনির সঙ্গে একই দিনে ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্ট করেছেন ইতালির মিডফিল্ডার মার্কো ভেরাত্তি। তাঁর সেই পোস্ট ছিল আবেগে ভরা, ‘জেতার পর কাউকে ধন্যবাদ জানানো সহজ। কিন্তু আমি বিশ্বকাপে যেতে না পারার পরও এ কাজটা করতে চাই। আমি দলের সব স্টাফ, খেলোয়াড় এবং এর সঙ্গে যুক্ত সবাইকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। দুর্ভাগ্যজনকভাবে জীবন আর ফুটবলে সবকিছু আপনার পরিকল্পনা, লক্ষ্য আর স্বপ্ন অনুযায়ী হবে না।’

ভেরাত্তি এখানেই থামেননি। ইনস্টাগ্রাম পোস্টে আরও লিখেছেন, ‘হতাশা অসীম কিন্তু আমরা এরই মধ্যে দেখিয়েছি যে ভালোবাসা আর পরিশ্রম দিয়ে যেকোনো কিছুই অর্জন করা সম্ভব। ফুটবল আমাদের ভালোবাসা। আমি নিশ্চিত এর জন্য আমরা আগের মতোই সর্বস্ব উজাড় করে দেব।’ এরপর ভেরাত্তি খেলোয়াড়দের অপমান না করার আকুতি জানান সবার কাছে, ‘একটা শেষ কথা বলি: এ সময় অপমান করার নয়, কারণ, আমরা সবাই নিজেদের সেরাটা দিয়ে চেষ্টা করেছি। দুর্ভাগ্যবশত এটা যথেষ্ট ছিল না।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন