বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

এই হারের পরেও বাংলাদেশের ফাইনাল খেলার স্বপ্ন এখনো টিকে আছে। ২ ম্যাচ খেলে ৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে নেপাল। ৩ ম্যাচ খেলে ৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে বাংলাদেশ। ২ ম্যাচ খেলে মালদ্বীপের পয়েন্ট ৩। সমান ম্যাচ খেলে ভারতের পয়েন্ট ২। ফাইনালে কারা খেলবে সে জন্য হয়তো অপেক্ষা করতে হবে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত। সেদিন শেষ ম্যাচে নেপালের বিপক্ষে মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ।

দুই হলুদ কার্ড ও লাল কার্ডের খড়্গে পড়ে আজকের ম্যাচে খেলা হয়নি উইঙ্গার রাকিব হোসেন ও রাইটব্যাক বিশ্বনাথ ঘোষ। তাঁদের জায়গায় একাদশে খেলানো হয় মিডফিল্ডার সোহেল রানা ও রহমত মিয়াকে। আগের দুই ম্যাচে মিডফিল্ডার হিসেবে খেলা মোহাম্মদ ইব্রাহিমকে খেলানো হয় রাকিবের জায়গায়। প্রথমার্ধে গোলশূন্য ড্রয়ের পর দ্বিতীয়ার্ধে ২ গোল আদায় করে নেয় স্বাগতিকেরা।

default-image

প্রথমার্ধ শেষে বলের দখলে মালদ্বীপের ৬৯ শতাংশের বিপরীতে বাংলাদেশ মাত্র ৩১ শতাংশ। পরিসংখ্যানই বলে দিচ্ছে প্রথমার্ধটা কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করেছে স্বাগতিকেরা। বাংলাদেশের রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় সে অনুযায়ী গোলের সুযোগ তৈরি করতে পারেনি আশফাক, আলি ফাসিররা। এ ছাড়া তিন মিডফিল্ডারের সঙ্গে দুই উইঙ্গার মিলে মাঝমাঠের ওপরে একটা বাঁধ তৈরি করে প্রতিপক্ষকে খেলাটা তৈরি করার সুযোগ দেয়নি বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের রক্ষণভাগের জন্য আতঙ্কের নাম ছিল আলী আশফাক ও হামজা মোহাম্মদ। তাঁদের পায়ে বল গেলেই বাংলাদেশের কয়েকজন মিলে আটকানোর চেষ্টা করেছেন। তবুও ২৯ মিনিটে সহজ একটি গোলের সুযোগ তৈরি করে নেয় মালদ্বীপ। মিডফিল্ডার হুসাইন নিহানের শট সাইড পোস্ট ঘেঁষে বাইরে চলে যায়। বিরতিতে যাওয়ার আগে দুর্দান্ত সেভ করে দলে বাঁচিয়েছেন গোলরক্ষক আনিসুর রহমান। আশফাকের বাম পায়ের বাঁকানো ফ্রিকিক ডান দিকে ঝাঁপিয়ে রক্ষা করেন তিনি।

default-image

দ্বিতীয়ার্ধে আরও চড়াও হয় মালদ্বীপ। ৫৩ মিনিটে আলি ফাসিরের দূর পাল্লা শট ঠেকিয়ে দেন আনিসুর। ৫৫ মিনিটে দুর্দান্ত গোল করে মালদ্বীপকে এগিয়ে নেন হামজা মোহাম্মদ। কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে হেড নিয়েছিলেন মিডফিল্ডার হুসাইন নিহান। বল বাতাসে ভাসা অবস্থায় বাই সাইকেল কিকে গোল করেন হামজা। গোল শোধ দেওয়ার জন্য জুয়েল রানা, সুমন রেজা ও মাহবুবুর রহমানকে বদলি হিসেবে নামিয়েছিলেন ব্রুজোন। নতুন উদ্যমে ভালো আক্রমণ গড়ে তোলে বাংলাদেশ।

কিন্তু ৭৩ মিনিটে পেনাল্টি পায় মালদ্বীপ। বদলি নাইজ হাসানকে সোহেল রানা ফাউল করলে পেনাল্টি পায়। স্পট কিক থেকে বল জালে জড়ান আলি আশফাক। এর পরে আর ম্যাচে ফেরার মতো কখনোই খেলতে পারেনি জামাল ভূঁইয়ারা। বরং মেজাজ হারিয়ে অহেতুক হলুদ কার্ড দেখেছেন জামাল। ম্যাচে পাঁচটি হলুদ কার্ড দেখেছে বাংলাদেশ।

পুরো ম্যাচে একবারও মালদ্বীপ গোলরক্ষকের পরীক্ষা নিতে পারেনি বাংলাদেশ।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন