বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের নিয়ম অনুযায়ী অ্যাওয়ে টিম পায় ৮ শতাংশ টিকিট। ফলে আগামীকাল ম্যাচ বাংলাদেশের জন্য বরাদ্দ মাত্র তিন শর মতো টিকিট। আগের দুই ম্যাচে দু–তিন হাজার টিকিট কিনতে পেরেছিলেন প্রবাসীরা।

গতকাল টিকিট কিনতে মালদ্বীপ জাতীয় স্টেডিয়ামে বাংলাদেশিদের প্রচণ্ড ভিড় ছিল। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিড়ও বাড়তে থাকে। কিন্তু আয়োজকেরা বাংলাদেশিদের কাছে পর্যাপ্ত টিকিট না বিক্রি করায় লোকজনের মধ্যে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।

default-image

উত্তেজনা কমাতে প্রশাসন স্টেডিয়াম এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে টিকিটপ্রত্যাশীদের বিক্ষিপ্ত হাতাহাতি হয়েছে বলেও জানা গেছে।

টিকিট কিনতে এসে হতাশা নিয়ে ফিরে যাওয়া কুড়িগ্রামের রোকনুজ্জামান বলেন, ‘আমরা টিকিটের জন্য এসেও পেলাম না। কাউন্টার থেকে বলেছে ২০০ টিকিট তাদের হাতে এসেছে এবং সব শেষ। অথচ স্টেডিয়ামে দর্শক ধারণক্ষমতা এখন প্রায় ১২ হাজার। আয়োজকেরা সব টিকিট দিচ্ছেন স্থানীয় দর্শকদেরই।’

টিকিট–স্বল্পতা নিয়ে স্থানীয় আয়োজকদের সঙ্গে কথা বলেছেন মালদ্বীপের বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত নাজমুল হাসান। কাল দুপুরে মালেতে এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘টিকিট–স্বল্পতার বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। আমরা যথাযথ কর্তৃপক্ষ মালদ্বীপের যুব মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলেছি।’

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে জয় দিয়ে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ শুরু করেছে বাংলাদেশ। পরশু ভারতের সঙ্গে ড্র করেছে ১০ জন নিয়ে। যে কারণে বাংলাদেশের ম্যাচ নিয়ে প্রবাসীদের আগ্রহ এখন তুঙ্গে।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন