বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মালদ্বীপে আসার পর থেকেই প্রবাসী বাংলাদেশিদের সমর্থন পাচ্ছেন বাংলাদেশের ফুটবলাররা। সেটা যে ম্যাচেও পাওয়া যাবে, তাতে সংশয় নেই। প্রবাসীদের সমর্থনের প্রতিদানও দিতে তৈরি লাল-সবুজের অধিনায়ক, ‘সমর্থকদের সমর্থনের প্রতিদান হিসেবে অবশ্যই আমরা জয় উপহার দেওয়ার চেষ্টা করব।’ সেই জয়ের জন্য অপরিহার্য গোল করা এবং যথাসম্ভব গোল না খাওয়া। সংবাদ সম্মেলনে জামালও বলছিলেন, ‘সবাই গোলের সুযোগ কাজে লাগানোর চেষ্টা করব। পাশাপাশি চাইব গোল না খেতে।’

default-image

মালেতে থাকা বাংলাদেশিরা আজ কাজ ফেলে হলেও খেলা দেখতে উদগ্রীব। নোয়াখালীর ৩০ বছর বয়সী তরুণ মনসুর আলী বলছিলেন, ‘লাইনে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচের টিকিট কিনেছি। আরও অনেক বাংলাদেশি টিকিট কিনে ম্যাচ দেখার অপেক্ষায়।’ তবে ফেনীর রেস্টুরেন্টকর্মী মোহাম্মদ খায়েরের মনটা খারাপই। আজকের খেলাটা দেখা হবে না তাঁর। রেস্টুরেন্ট বন্ধ হয় ৯টায়, মেলেনি ছুটিও।

মালে শহরের রাস্তায় বের হলে বাঙালির দেখা না পাওয়াটাই অস্বাভাবিক। সে বাংলাদেশেরই হোক বা ভারতের কলকাতার। এমনকি স্টেডিয়ামের কর্মীদের মধ্যেও আছেন বাংলাদেশি। সোহেল হোসেন ও মোহাম্মদ মহসিন নামের দুজন প্রায় এক দশক ধরে এখানে কাজ করছেন। বাংলাদেশের ম্যাচ নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই তাঁদের রোমাঞ্চটা বেশি। বাংলাদেশি সাংবাদিক দেখে সোহেল বললেন, ‘এই মাঠের পরিচর্যা আমরাই করি। এ মাঠে বাংলাদেশ দল খেলবে, ভাবতেই ভালো লাগছে। আমরা বাংলাদেশের জয় দেখতে চাই।’

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন