বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আগামী পরশু থেকে শুরু হওয়া ফেডারেশন কাপের জন্য পৃষ্ঠপোষকতা করবে এটিসি। পুরো টুর্নামেন্টের জন্য তারা দিচ্ছে ১০ হাজার মার্কিন ডলার, বাংলাদেশি টাকায় প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকা। প্রয়োজনের তুলনায় এই অঙ্ক যদিও খুবই অপ্রতুল, তবু এমন বিপদের দিনে ক্লাবটির পাশে এসে দাঁড়ানোয় জাপানি প্রতিষ্ঠানের প্রতি কৃতজ্ঞ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের ম্যানেজার আরিফুল ইসলাম, ‘আমাদের এই ক্লাবের পুরো মৌসুমের জন্য প্রয়োজন ৭–৮ কোটি টাকা, কিন্তু পেয়েছি ১০ হাজার ডলার। এটা যদিও প্রয়োজনের তুলনায় খুব অল্প। তারপরও তো ফেডারেশন কাপটা আমরা এই টাকা দিয়ে শেষ করতে পারব।’ কাতো অবশ্য তাঁর চেষ্টাটা চালিয়ে যাবেন বলেই জানিয়েছেন, ‘মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে এই দলের জন্ম। এটা ফুটবলে টিকে থাকবে না, সেটা তো হতে পারে না। সবাইকে নিয়ে দলের এই সংকট কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি। আশা করি, আমাদের সমস্যা দূর হয়ে যাবে।’

২০১৮-১৯ মৌসুমে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের হয়ে প্রথম বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলে খেলেছিলেন কাতো। সব মিলিয়ে মুক্তিযোদ্ধার জার্সিতে ২১ ম্যাচে ৭ গোল করেছিলেন। গত মৌসুমে শেখ জামাল ধানমন্ডির হয়ে খেলেন তিনি। এবার মুক্তিযোদ্ধার সঙ্গে চুক্তি হয়েছে কাতোর। শুধু তা–ই নয়, ক্লাবটির অধিনায়কত্বের দায়িত্বও পেয়েছেন এই জাপানি। মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি ভালোবাসা আর সম্মান তো আছেই, নিজের দায়িত্ববোধ থেকেই ক্লাবটিকে সহায়তা করার চেষ্টা করছেন, ‘দলটির আর্থিক সংকট চরমে পৌঁছেছে। দলের অধিনায়ক হিসেবে আমি তাই কিছু করতে চাই। এ জন্যই প্রত্যেক মানুষের কাছে আমরা হাত পেতেছি। সাহায্য চাইছি। স্পনসর জোগাড়ের চেষ্টা করছি।’

default-image

মাঠের বাইরে দলের অবস্থা যতই নাজুক হোক না কেন, ফেডারেশন কাপে ভালো করার আশা কাতোর, ‘মৌসুম শুরুর এই টুর্নামেন্ট আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এখানে আমাদের ভালো কিছু করতেই হবে। কখনো হাল ছেড়ে দেওয়া যাবে না। কারণ, আমরা হারলে হয়তো আর কোনো স্পনসরই আমাদের সাহায্য করতে এগিয়ে আসবে না।’ সবাইকে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে এসে খেলা দেখারও আমন্ত্রণ জানিয়েছেন কাতো, ‘টুর্নামেন্টের সূচি ঘোষণা করা হয়েছে। আপনি ঢাকায় থাকলে অবশ্যই আমাদের খেলা দেখতে মাঠে আসবেন।’

ফেডারেশন কাপের গ্রুপ পর্বে মুক্তিযোদ্ধার প্রথম ম্যাচ ২৭ ডিসেম্বর, প্রতিপক্ষ মোহামেডান। ৩০ ডিসেম্বর মুক্তিযোদ্ধা পরের ম্যাচটি খেলবে আবাহনীর বিপক্ষে।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন