বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

৫৪ বছর বয়সী রাইওলার মারা যাওয়ার খবর তাঁর পরিবার এভাবে দিয়েছে, ‘গভীর দুঃখের সঙ্গে বিশ্বের সবচেয়ে যত্নশীল ও অসাধারণ ফুটবল এজেন্টের মারা যাওয়ার খবরটি দিচ্ছি। মিনো তার খেলোয়াড়দের জন্য আলোচনার টেবিলে যেভাবে লড়াই করে, ঠিক সেভাবেই শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সে মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করেছে।’

রাইওলার পরিবার তাঁর মারা যাওয়ার খবরটি দিতে গিয়ে দারুণ একটি বিষয়ও তুলে ধরেছেন। সত্যি রাইওলা তাঁর খেলোয়াড়দের প্রতি ছিলেন যত্নশীল। এ কারণেই ইউরোপিয়ান ক্লাবগুলোর জন্য তিনি ছিলেন আতঙ্কের এক নাম। তাঁর ক্লায়েন্টকে দলে টানা মানেই নানা যন্ত্রণা সহ্য করা। কেন? কারণ, যে ফুটবলারের দায়িত্ব নিতেন, তাঁর আর্থিক দিকটার যেন একবিন্দু ক্ষতি না হয়, সেটা নিশ্চিত করায় মিনো রাইওলার ধারেকাছে ছিলেন না কেউ।

ভয়ংকর এক ব্যস্ত গ্রীষ্ম কাটানোর কথা ছিল তাঁর। একসময় রাইওলার সঙ্গে চরম প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল জর্জে মেন্দেসের। ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর এজেন্ট ইদানীং কিছুটা পিছিয়ে ছিলেন। ওদিকে ইব্রাহিমোভিচ ও পল পগবার এজেন্ট গত কয়েক বছরে নিজের ক্লায়েন্টের তালিকা ভারী করেছেন। আরলিং হরলান্ড, মাতিয়াস ডি লিখটদের মতো প্রজন্মের অন্যতম সেরা তরুণদের এজেন্ট রাইওলা। আগামী গ্রীষ্মে নতুন ক্লাবে যোগ দেবেন পগবা। হরলান্ড ও ডি লিখটেরও এই মৌসুমেই নতুন ক্লাব খোঁজার কথা। এ নিয়ে প্রতিদিনই নতুন নতুন গুঞ্জন উঠছে।

গত জানুয়ারিতে প্রথম রাইওলার অসুস্থতার খবর আসে। মিলানের এক হাসপাতালে নেওয়া হয় তাঁকে, জটিল এক অস্ত্রোপচারও করা হয়েছিল। কিন্তু তাঁর কী হয়েছে, সে খবর কখনো দেওয়া হয়নি। তখন বলা হয়েছিল, প্রাণঘাতী কিছু নয় এবং ঘরেই পুনর্বাসন প্রক্রিয়া চলবে তাঁর।

ইব্রাহিমোভিচ, পগবা, হরলান্ড, ডি লিখট ছাড়াও রোমেলু লুকাকু, মারিও বালোতেল্লি, মার্কো ভেরাত্তি ও হেনরিখ মেখিতারিয়ানও এজেন্ট হিসেবে রাইওলার ওপর আস্থা রাখেন। ফোর্বস জানিয়েছিল, তারকাদের এজেন্ট হিসেবে গত বছর ৬ কোটি ২০ লাখ পাউন্ড আয় করেছিলেন রাইওলা।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন