default-image

কীভাবে মেসিকে থামানো যায়?

গত দেড় দশক ধরে প্রতিপক্ষ কোচ, খেলোয়াড় ও কর্মকর্তারা মাথা কুটে মরছেন এই জবাব পাওয়ার জন্য। কেউ কেউ হুট করে সফল হয়ে গেলেও, অধিকাংশই হয়েছেন ব্যর্থ। চ্যাম্পিয়নস লিগের গত রাউন্ডে নাপোলির বিপক্ষের ম্যাচটার কথাই ধরুন। কার্যকরী রক্ষণের জন্য জেনারো গাত্তুসোর নাপোলি সুবিদিত। তাও মেসিকে আটকাতে পারেনি দলটা। মেসি ঠিকই ছিঁড়েখুঁড়ে ফেলেছেন নাপোলির রক্ষণকে। কালিদু কুলিবালি, মারিও রুই, কসটাস মানোলাস, ডিয়েগো ডেমে, নিকোলা মাকসিমোভিচ— সবাই যেন সম্মোহিত হয়ে গিয়েছিলেন মেসির জাদুতে। আর জাদুকর তাঁর জাদুর টুপি থেকে বের করছিলেন একের পর এক জাদুকরী পাস, শট, ড্রিবলিং ও গোল। দলকে একাই টেনেছেন কোয়ার্টার ফাইনালে। কোয়ার্টারে আজ মেসিদের প্রতিপক্ষ জার্মান পরাশক্তি বায়ার্ন মিউনিখ। এই দুর্দমনীয় মেসিকে কীভাবে আটকানো যায়, স্বাভাবিকভাবেই বায়ার্ন এখন ব্যস্ত মেসিকে আটকানোর পরিকল্পনা নিয়েই।

দলটার অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার টমাস মুলারের মতে, কারওর একার পক্ষে মেসিকে আটকানো সম্ভব নয়, ‘মূল যে কথাটা বলতে চাই সেটা হলো মেসি এখন ফর্মে আছে। আর ফর্মে থাকা মেসিকে কখনো একজন আটকে রাখতে পারবে না। ফর্মে থাকার মেসির বিপক্ষে একজন দিয়ে কাজ হবে না।’

মুলারের মতে, মেসিকে আটকাতে হলে একটা দল হিসেবে রক্ষণ করতে হবে বায়ার্নকে, ‘আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, মেসিকে সফলভাবে আটকাতে চাইলে একটা দল হিসেবে রক্ষণ করতে হবে। মেসি যদি একজন খেলোয়াড়ের বাধা পেরোয়, দ্বিতীয় খেলোয়াড়টিকে দিয়ে তাঁকে আটকাতে হবে। সেটাও না হলে তৃতীয় খেলোয়াড়। প্রথম আর দ্বিতীয় ডিফেন্ডার ততক্ষণে আবারও মেসিকে আটকাতে চলে আসবে। এভাবে রক্ষণ করতে পারলে হয়তো মেসিকে আটকানোও সম্ভব। মেসির বিপক্ষে আমাদের আগ্রাসী হতে হবে। আমি ম্যাচটা নিয়ে রোমাঞ্চিত। দেখা যাক কী হয়!’

গোটা মৌসুমেই দুর্দান্ত ফর্মে আছে বায়ার্ন। জিতেছে লিগ, জার্মান কাপ। ওদিকে বার্সেলোনার অবস্থা খুব যে ভালো, তা নয়। মৌসুমে অন্য কোনো ট্রফি জিততে না পারা বার্সা এখন যেকোনো মূল্যে এই চ্যাম্পিয়নস লিগ জিততে চায়। আর এ ক্ষেত্রে মেসিই তাদের সবচেয়ে বড় জিয়নশক্তি।

বায়ার্ন এখন কীভাবে মেসিকে আটকাবে, সেটির দেখা মিলবে আজ রাতেই!

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন