মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনায় খেলছে অনেক নতুন মুখ।
মেসির নেতৃত্বে আর্জেন্টিনায় খেলছে অনেক নতুন মুখ।ছবি : রয়টার্স

২০১৮ বিশ্বকাপের পর থেকেই লিওনেল স্কালোনির অধীনে ধীরে ধীরে নিজেদের ফিরে পাওয়ার চেষ্টায় আছে আর্জেন্টিনা। বেশ অনেক পজিশনেই নতুন নতুন খেলোয়াড় দলে এনে দলটাকে আগামী বিশ্বকাপের জন্য গড়ে তুলতে চাইছেন এই কোচ। আর স্কালোনির আনা এই পরিবর্তনের ছোঁয়া সবচেয়ে বেশি পাচ্ছে দলটার মিডফিল্ড।

এভার বানেগা, হাভিয়ের মাচেরানো, লুকাস বিলিয়া, এনজো পেরেজদের দিন জাতীয় দলে শেষ। দলে এখন নতুন মিডফিল্ডারদের সুযোগ দেওয়ার সময়। সেটা স্কালোনি বেশ ভালোই বোঝেন। যে কারণে এক বছর ধরেই উদিনেসের রদ্রিগো দি পল, পিএসজির লিয়ান্দ্রো পারেদেস, টটেনহামের জিওভান্নি লো চেলসো, রিয়াল বেতিসের গিদো রদ্রিগেজ, বেয়ার লেভারকুসেনের এজেকিয়েল পালাসিওস, ব্রাইটনের অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টারের মতো একাধিক খেলোয়াড়কে সুযোগ দিয়ে যাচ্ছেন। তাঁদের মধ্যে স্কালোনির মূল পছন্দ অবশ্য পারেদেস আর দি পল। এই দুজনের মিডফিল্ড জুটির ওপরেই বেশির ভাগ সময়ে আস্থা রাখছেন স্কালোনি। আর একাদশে এই দুজনের ভূমিকা কতটুকু, সেটাই যেন ঠাট্টাচ্ছলে জানিয়ে দিয়েছেন দি পল।

বিজ্ঞাপন
default-image

ক্লাব ৯৪.৭–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে উদিনেসের এই মিডফিল্ডার দলের অধিনায়ক লিওনেল মেসির সঙ্গে তাঁদের দুই মিডফিল্ডারের খুনসুটির একটা উদাহরণ দিয়েছেন। দি পল আর পারেদেস যেভাবে আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডে প্রতিপক্ষ খেলোয়াড়দের তটস্থ করে রাখেন, তাতে কেউই এই দুজনকে ঠিক দেখতে পারেন না বলে মনে করেন খোদ মেসিই, ‘মেসি পারেদেস আর আমাকে সব সময় একটা কথা বলে, আমাদের বলে কোনো প্রতিপক্ষই দেখতে পারে না।’ অর্থাৎ এই দুজন একসঙ্গে খেললে প্রতিপক্ষ যে দম ফেলার ফুরসতও পায় না, সেটার দিকেই যেন ইঙ্গিত করেছেন মেসি!

কিন্তু তাঁরা এভাবে কেমন খেলেন? এর পেছনেও যুক্তি আছে দি পলের। তাঁর মতে, তিনি ও পারেদেস এভাবে খেলেন দেখেই মেসি আক্রমণভাগে নির্ভার হয়ে খেলার সুযোগ পান, রক্ষণ নিয়ে চিন্তা করতে হয় না। প্রতিপক্ষের পা থেকে বল কেড়ে নেওয়ার চিন্তা করতে হয় না, ‘মেসি যখন ওই কথা বলে, তখন আমরা আবার ওকে বলি, আমরা তোমার হয়ে মারামারির কাজটা করি, কারণ আমরা তো তোমাকে এই কাজ করার জন্য পাঠাতে পারি না!’

default-image

মেসির নেতৃত্বগুণ নিয়েও ভূয়সী প্রশংসা করেছেন দি পল, ‘অধিনায়ক হিসেবে ও অনেক খোলামেলা। আমাদের দলটায় অভিজ্ঞ ও অনভিজ্ঞ-দুই শ্রেণির খেলোয়াড়ই আছে। আমরা মাঝে একসঙ্গে বসে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের কাছ থেকে অনেক কথাবার্তা শুনি।’

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য করুন