বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

স্প্যানিশ পত্রিকা স্পোর্তের কাছে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন তেবাস। সেখানে বার্সেলোনা প্রসঙ্গেই বেশি কথা বলেছেন। মেসি প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে স্বীকার করে নিয়েছেন, আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডের বিদায়ে লিগের অনেক ক্ষতি হয়েছে, ‘হ্যাঁ, লিগের অনেক ক্ষতি হয়েছে। রোনালদো, গার্দিওলা, মরিনিও যাওয়ার পর যেমন হয়েছিল। আমরা জানতাম একদিন এটা হতে পারে। বিশ্বের সেরা দলগুলোতে সেরা খেলোয়াড়দের পেয়েছিলাম, আমরা ভাগ্যবান। বিশ্বজুড়ে সবার সামনে লিগটাকে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই সুবিধা কাজে লাগাতে পেরেছি। মেসির বিদায় হয়তো একটু বেশি কষ্টের। কারণ, ব্যক্তিগতভাবে আমি তাঁকে সর্বকালের সেরা মনে করি এবং এভাবে বিদায় নেওয়া তাঁর প্রাপ্য ছিল না। বার্সেলোনা থেকে নয়, লিগ থেকেও নয়।’

default-image

মেসির ভক্ত হয়েও মেসিকে ধরে রাখতে পারেননি লিগে। যদিও চাইলেই তাঁকে ধরে রাখার ক্ষমতা ছিল তেবাসের। বার্সেলোনাকে আগের মৌসুমেও বেতনের ব্যাপারে ছাড় দেওয়া হয়েছিল। নতুন মৌসুমে মেসিকে যদি ধরে রাখতে হয়, তাহলে ছাড় দিতেই হবে, এটা জানা ছিল তেবাসের। কিন্তু এ ব্যাপারে তেবাসের সিদ্ধান্ত বদলায়নি। যদিও স্পোর্তের প্রশ্নের জবাবে তেবাস বলেছেন, চাইলেই মেসির ‘বিদায় আটকাতে পারত’ বার্সেলোনা। কীভাবে?

এ প্রশ্নের উত্তরে তেবাস বলেছেন, ‘আমি লাপোর্তার সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে এ ব্যাপারে ফোনে কথা বলেছি। তাঁর বোর্ডের পরিচালকদের সঙ্গেও। তাঁরা সমাধান খুঁজছিলেন। যদি আর্থিক কারণে হতো...অন্য কী কারণ হতে পারে, আমি বলতে পারছি না। আগামী মৌসুমে যখন বার্সেলোনার আর্থিক বিষয়গুলো জানা যাবে, তখনই বুঝতে পারব, মেসি আসলে থাকতে পারত, নাকি পারত না। আমি ক্লাবের সিদ্ধান্তকে সম্মান করি, কিন্তু যা সত্যি, সেভাবেই বলা উচিত। আমার মনে হয় না, এটা আর্থিক কারণে হয়েছে। এ ব্যাপারে আমি নিশ্চিত।’

default-image

সন্দেহ করা হয়, সিভিসি চুক্তিতে রাজি করার জন্য লা লিগা চাপ দিয়েছিল বার্সেলোনাকে। বলা হয়েছিল, মেসিকে ধরে রাখতে চাইলে, সিভিসি চুক্তি স্বাক্ষরে তাদের রাজি হতে হবে। সেটায় রাজি না হওয়াতেই নাকি বেতনের ব্যাপারে কোনো ছাড় দেওয়া হয়নি। তেবাস অবশ্য বলছেন, বার্সেলোনা প্রথমে খুব আগ্রহ দেখিয়েছিল এই চুক্তির ব্যাপারে, ‘লাপোর্তা যদি মেসির সঙ্গে চুক্তি করে থাকেই, সেটার কারণ এক মাস আগে সে সিভিসির চুক্তিতে রাজি হয়েছিল। এক মাসের বেশি সময় ধরে সে এর পক্ষে ছিল। এ কারণে সে বলছিল, সব ভালোই চলছে (মেসির চুক্তির ব্যাপারে)। এমনকি সিভিসির চুক্তিটা তাড়াতাড়ি করার জন্য দুবার ফোন করেছিল। কারণ, মেসি উদ্বিগ্ন হয়ে উঠছিল (বার্সায় চুক্তি নবায়নের ব্যাপারে)।’

লাপোর্তা সে সিদ্ধান্ত থেকে কেন সরে এলেন, সে প্রসঙ্গে তেবাস অবশ্য দোষ চাপিয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদ সভাপতির দিকেই।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন