মেসির রেকর্ডে ভাগ বসালেন নেইমার

বিজ্ঞাপন
default-image

চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে নেইমার নাম লিখিয়ে নিয়েছেন ড্রিবলিংয়ের রেকর্ডে মেসিকে ছুঁয়ে। কাল আতালান্তাকে হারানো ম্যাচে ১৬ বার ড্রিবলিং করেছেন নেইমার। চ্যাম্পিয়নস লিগের এক ম্যাচে যেটা সর্বোচ্চ। ২০০৮ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে ১৬বার ড্রিবলিং করে রেকর্ডটি গড়েছিলেন মেসি

ম্যাচটা যে নেইমারের জন্য কেমন কেটেছে বলা কঠিন। সহজ দুটি গোলের সুযোগ নষ্ট করেছেন পিএসজির ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড। তবে আতালান্তার বিপক্ষে চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচটি ২-১ গোলে পিএসজি শেষ পর্যন্ত জিতেছে তাঁরই কল্যাণে। ম্যাচের শেষ মুহূর্তে পিএসজির দুটি গোলেই ছিল নেইমারের ছোঁয়া, হয়েছেন ম্যাচ সেরাও। ভালোমন্দে কাটানো এই ম্যাচে চ্যাম্পিয়নস লিগের একটি রেকর্ডে লিওনেল মেসির সঙ্গে ভাগ বসিয়েছেন বার্সেলোনার সাবেক তারকা।

চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে নেইমার নাম লিখিয়ে নিয়েছেন ড্রিবলিংয়ের রেকর্ডে। কাল আতালান্তাকে হারানো ম্যাচে ১৬ বার ড্রিবলিং করেছেন নেইমার। চ্যাম্পিয়নস লিগের এক ম্যাচে যেটা সর্বোচ্চ। ২০০৮ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে ১৬ বার ড্রিবলিং করে রেকর্ডটি গড়েছিলেন মেসি। এ দুজন ছাড়াও চ্যাম্পিয়নস লিগের এক ম্যাচে সর্বোচ্চ ১৬ বার ড্রিবলিং করার কীর্তি আছে আরেক আর্জেন্টাইন ফুটবলারের—ইন্টার মিলানের সাবেক মিডফিল্ডার হাভিয়ের জানেত্তির।

মারিও পাসালিচের ২৭ মিনিটের গোলে এগিয়ে যায় আতালান্তা। এর আগেই দুটি গোলের সুযোগ নষ্ট করেন নেইমার। প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছিল রাতটি নেইমার বা পিএসজির নয়। দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দিলেও গোলের ঠিকানা খুঁজে পাচ্ছিলেন না নেইমার বা তাঁর সতীর্থরা। অবশেষে ৮৯ মিনিটে নেইমারের পাসে ম্যাচে সমতা আনেন ব্রাজিলিয়ান মার্কিনিওস। দ্বিতীয় গোলটি এরিক ম্যাক্সিম চুপো-মতিং করেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পের পাস থেকে। তবে বক্সের মধ্যে এমবাপ্পেকে নিখুঁত পাসটি দিয়েছিলেন নেইমারই। পুরো ম্যাচে সর্বোচ্চ চারটি গোলের সুযোগও তৈরি করেছেন তিনিই।

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0
বিজ্ঞাপন