বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ম্যাচের শেষ গোলটি, অর্থাৎ ৮৫ মিনিটে লেভার দ্বিতীয় গোলটি ফিরিয়ে নিয়ে যায় ২০১৫ চ্যাম্পিয়নস লিগ সেমিফাইনালের প্রথম লেগের স্মৃতিতে। সেটিও ছিল এই ক্যাম্প ন্যুতেই।

৮০ মিনিটে মেসির দ্বিতীয় গোলটি চ্যাম্পিয়নস লিগে অন্যতম ‘আইকনিক’ গোল হয়ে থাকবে। তাঁর নিখুঁত ইনসাইড আউট পায়ের কাজে বায়ার্নের সেন্টারব্যাক জেরোম বোয়াটেং হাঁটুতে ভর করে দাঁড়িয়ে থাকতে পারেননি। পড়ে যান মাঠেই। এরপর আলতো চিপে গোলটি করেন মেসি। গোলটি দেখলে যেকোনো ডিফেন্ডারেরই আত্মসম্মানবোধে ঘা লাগার কথা। মোটকথা, গোলটি ছিল যেকোনো ডিফেন্ডারের অহমকে চূর্ণ করে দেওয়ার মতোই।

বোয়াটেংয়ের চেয়ে তা আর ভালো কে বুঝবে! সেই গোল নিয়ে রসিকতা সইতে না পেরে বছরখানেক আগে লিওঁ সেন্টারব্যাক টুইট করেছিলেন, ‘সত্যি বলতে, তোমরা সবাই মেসির বিপক্ষে কীভাবে রক্ষণ সামলাও, তা আমি দেখতে চাই।’ ক্লাব ব্রুগার ডিফেন্ডারদের বিষয়টি পরখ করে দেখার সুযোগ মিলতে পারে আজ রাতে—চ্যাম্পিয়নস লিগে পিএসজির মুখোমুখি হবে ব্রুগা, ফরাসি ক্লাবের হয়ে প্রথমবারের মতো চ্যাম্পিয়নস লিগে মাঠে নামতে পারেন মেসি।

সে যা–ই হোক, ছয় বছর আগে বোয়াটেংয়ের সেই গোল হজমের প্রসঙ্গ উঠে আসছে জেরার্ড পিকের কারণে।

বার্সার বক্সের ভেতর বল পাওয়ার পর লেভা সরাসরি শট নেননি। যদিও এক শটেই গোল করার মতো দারুণ অবস্থানে ছিলেন পোলিশ তারকা। কিন্তু তা না করে লেভার হয়তো পিকের সঙ্গে রসিকতা করতে মন চেয়েছিল!

বার্সা সেন্টারব্যাক তাঁকে বাধা দিতে গিয়ে পা বাড়িয়ে বসে পড়েছিলেন। লেভা দারুণভাবে তাঁকে কাটিয়ে বাঁ পায়ের শটে গোল করেন। বায়ার্ন তারকা বলটি নেওয়ার সময় তাঁর সামনে পড়ে থাকা পিকেকে ছয় বছর আগে মেসির সামনে সেই বোয়াটেংয়ের মতোই অসহায় লাগছিল।

বায়ার্নের হয়ে এ নিয়ে টানা ১৮ ম্যাচে গোল করলেন লেভা। তবে কাল শেষ গোলটি তাঁর আলাদা করে মনে রাখার কথা। ২০১৫ সালের সে ম্যাচে মাঠে থেকে বোয়াটেংয়ের পর্যুদস্ত হওয়া দেখেছিলেন লেভা। হয়তো ইচ্ছাকৃত নয়, তবু পিকেকে বোকা বানিয়ে তাঁর করা গোলটি তো বায়ার্নের দৃষ্টিকোণ থেকে প্রতিশোধই!

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন