default-image

বড় অসময়েই বরখাস্ত হলেন পচেত্তিনো! এই কয়েক মাস আগেও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড আর রিয়াল মাদ্রিদের সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়ে গুঞ্জন শোনা যেত। কিন্তু রিয়াল গত মৌসুমে কার্লো আনচেলত্তির অধীনে লিগ ও চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতার পর এখন কোচ বদলের তো প্রশ্নই আসে না, ম্যান ইউনাইটেডও পিএসজিতে তারকা সামলানোয় পচেত্তিনোর ব্যর্থতা দেখে তাঁর দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে, আয়াক্স থেকে নিয়ে এসেছে এরিক টেন হাগকে।

কিন্তু সিনক্লেয়ারের ভাবনা সত্যি হলে পচেত্তিনোর চিন্তার কিছু নেই। ইউনাইটেডের না হোক, ম্যানচেস্টারেরই আরেক ক্লাব সিটির কোচ হতেই পারেন তিনি! সিনক্লেয়ারের মতেও, সিটিই পচেত্তিনোর জন্য আদর্শ ক্লাব!

যদিও টকস্পোর্টে সিনক্লেয়ারের কথাগুলো শুনে সিটির কতজন ভক্ত একমত হবেন, সে শঙ্কা থেকেই যায়।

যে পচেত্তিনো পিএসজিতে ড্রেসিংরুমের ইগো ঠিকভাবে সামলাতে পারেননি বলে গুঞ্জন, তাঁকে নিয়েই সিনক্লেয়ার বলেছেন, ‘তাঁর রেকর্ড দেখলে বুঝবেন তিনি খেলোয়াড়দের অহমের ব্যাপারটা খুব ভালোভাবে সামলাতে পারেন। খেলোয়াড় কত বড় মাপের তারকা তা কোনো ব্যাপার নয়, তাঁকে আমরা মেসি, এমবাপ্পে, নেইমারদের সামলাতে দেখেছি। তাই সেদিক থেকে তিনি (সিটির জন্য) আদর্শ বিকল্প। মানুষ হিসেবেও তিনি বেশ মজার, সংবাদমাধ্যমও সামলাতে পারেন ভালোভাবে।’

default-image

কিন্তু সিটির তো গার্দিওলার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কোনো ইচ্ছা নেই। ক্লাবটির সঙ্গে গার্দিওলার চুক্তি আছে ২০২২-২৩ মৌসুম পর্যন্ত, এরপর অবশ্য গার্দিওলা নিজেই সরে যেতে পারেন বলে গুঞ্জন আছে।

সে ক্ষেত্রে পচেত্তিনোর সিটিতে যাওয়ার প্রক্রিয়াটা কীরকম হতে পারে, সেটিরও একটা ধারণা দিয়ে রাখলেন সিনক্লেয়ার, ‘আমার সত্যি সত্যিই মনে হয় সিটি তাঁর জন্য আদর্শ ক্লাব। আমার ধারণা তিনি এখন একটা বিরতি নেবেন, কারণ আর্থিক দিক থেকে তিনি ঝামেলায় নেই। যদি একটা পর্যায়ে গিয়ে গার্দিওলা সিটি ছেড়ে যান, সে ক্ষেত্রে সিটির হটসিটটা পচেত্তিনোকে নেওয়ার জন্য তৈরিই থাকবে।’

তার মানে, সিনক্লেয়ারের ভাবনা সত্যি হলে পচেত্তিনোকে এক বছর বসে বসে কাটাতে হবে আর কী! গার্দিওলা গত আগস্টেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, সিটির সঙ্গে বর্তমান চুক্তি শেষে সেটি আর নবায়ন করবেন না। ‘এর পরের ধাপে জাতীয় দলে যাব, যদি সুযোগ থাকে আর কী! এই দলে সাত বছর কাটানোর পর আমি সম্ভবত একটা বিরতি নেব,’ গত আগস্টে বলেছিলেন গার্দিওলা।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন