বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

কয়েক সপ্তাহ আগে মঁপলিয়ের বিপক্ষে ম্যাচে প্রতিপক্ষ সমর্থকেরা মার্শেইয়ের খেলোয়াড়দের আক্রমণ করেছিলেন, সেদিন তবু ম্যাচটা শেষ হতে পেরেছিল। কিন্তু এর কয়েক সপ্তাহ পরই নিসের মাঠে মার্শেইয়ের ম্যাচে মারামারি এমন পর্যায়েই চলে গিয়েছিল যে ম্যাচই পণ্ড হয়ে গেছে। মারামারি শেষে মার্শেই নিরাপত্তা শঙ্কায় আর খেলতে নামতে চায়নি। একই কাণ্ড ঘটেছে গত রাতে।


এবার মার্শেইয়ের প্রতিপক্ষ ছিল অলিম্পিক লিওঁ। মার্শেইয়ের ফরাসি মিডফিল্ডার দিমিত্রি পায়েতের উদ্দেশে গতকাল লিওঁ সমর্থকদের গ্যালারি থেকে বোতল ছুড়ে মারা হয়, যে কারণে ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত পণ্ডই হয়ে গেছে।

default-image

ম্যাচটি হচ্ছিল লিওঁর মাঠ গ্রুপামা স্টেডিয়ামে। ম্যাচ শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই লিওঁর ভক্তরা ঝামেলা বাধান। একটা কর্নার নিতে মার্শেইয়ের অধিনায়ক দিমিত্রি পায়েত এগিয়ে যান। এ সময় লিওঁর ‘আলট্রা’(কোনো ক্লাবের অতি-আবেগী সমর্থক, যাঁরা মাঠের খুব কাছে থাকা গ্যালারিতে একজোট হয়ে গানে-নাচে দলকে সমর্থন জোগান) সমর্থকদের একজন পানিভর্তি বোতল ছুড়ে মারেন পায়েতের দিকে। বোতলটা সরাসরি পায়েতের মুখে বাঁ দিকে লাগে।


বোতলের আঘাতে মাটিতে পড়ে যান পায়েত। উগ্রতা ঠেকাতে লিওঁর পর্তুগিজ গোলকিপার আন্থনি লোপেজ ও ফরাসি মিডফিল্ডার হুসাম আউয়ার অনুরোধ করতে থাকেন সমর্থকদের। পায়েতকে ঘিরে ধরেন লিওঁ ও মার্শেইয়ের খেলোয়াড়েরা।

default-image

পায়েতের আঘাত গুরুতর কি না, সেটা জানার জন্য মাঠেই পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। কনকাশন (মাথায় আঘাতজনিত সমস্যা) পরীক্ষাসহ সবই করা হয়। এর পরই রেফারি খেলোয়াড়দের ড্রেসিংরুমে ফিরে যেতে বলেন। কিছুক্ষণ পর লিওঁর খেলোয়াড়েরা অনুশীলন করতে নেমে পড়েন, তবে মার্শেইয়ের খেলোয়াড়েরা ড্রেসিংরুম থেকে আর বের হননি। এর কিছুক্ষণ পর ঘোষণা আসে, স্থগিত হয়ে গিয়েছে ম্যাচ। এ ম্যাচ কবে হবে, সেটা পরে জানিয়ে দেওয়া হবে।


গত আগস্টেও একই কাণ্ড ঘটেছিল। নিসের ভক্তরা পায়েতের দিকে বোতল ছুড়ে মেরেছিলেন, পরে পায়েত উল্টো নিস-ভক্তদের দিকে সে বোতল ছুড়ে মারেন।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন