বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

প্রথমার্ধে কিলিয়ান এমবাপ্পে ও নেইমার জুনিয়র নিজেরা নিজেদের বাঁধা হয়ে উঠেছিলেন। শুরু থেকে দাপট পিএসজিরই ছিল। আনহেল দি মারিয়া ও আন্দের এরেরা বেশ কিছু সুযোগ সৃষ্টি করে দিচ্ছিলেন। কিন্তু এমবাপ্পে ও নেইমারের মধ্যে সমন্বয়হীনতা পিএসজিকে গোল পেতে দেয়নি।

প্রথমার্ধে ১১টি শট নিয়েছে পিএসজি। এর মধ্যে অবশ্য মাত্র ৩টি ছিল গোলমুখে। বাদবাকি সবই হতাশা বাড়িয়ে গেছে বাইরে। এই ৩ শটের একটিই প্রথমার্ধে পিএসজিকে এগিয়ে দিয়েছে। ১৪ মিনিটে নেইমারের উদ্দেশে পাস বাড়িয়ে দিয়েছিলেন এমবাপ্পে। সেটা প্রতিপক্ষের গায়ে লেগে ফিরে যায়। কিন্তু বল পেয়ে যান দি মারিয়া।

default-image

দি মারিয়া পাস দিয়েছিলেন ইদ্রিসা গানা গেকে। সময় নিয়ে এক গোলা ছুড়লেন গে, আর সেটাই এগিয়ে দিল পিএসজিকে। প্রথমার্ধে পিএসজিকে কোনো পরীক্ষা দিতে হয়নি প্রতিপক্ষ স্ট্রাইকার ভ্যালেরি গার্মেইনের ব্যর্থতায়।

দ্বিতীয়ার্ধেও ম্যাচ ছিল একতরফা। নেইমার-এমবাপ্পেরা গোলের সুযোগ সৃষ্টি করেও কাজে লাগাতে পারেননি। বারবার তাঁদের শটগুলো একটুর জন্য পোস্টের বাইরে চলে যাচ্ছিল।

৮৮ মিনিটে দি মারিয়ার বদলি হিসেবে মাঠে নামলেন ইউলিয়ান ড্র্যাক্সলার। নামতে না নামতেই গোল! নেইমারের বানিয়ে দেওয়া বল থেকে দলের জয়ের ব্যবধান বাড়িয়ে নিয়েছেন জার্মান মিডফিল্ডার।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন