default-image

ফল ঘোষণার পরপরই যথারীতি ফ্রান্স ফুটবল ম্যাগাজিনের এ সিদ্ধান্ত নিয়ে দুই পক্ষের সৃষ্টি হয়েছে। এক পক্ষের মতে, যোগ্য খেলোয়াড় হিসেবেই জিতেছেন মেসি। আরেক পক্ষ লেভানডফস্কির এই পরাজয় মানতেই পারছেন না। বিশেষ করে জার্মানরা।

ব্যালন ডি’অরের এই ফল কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না তাঁরা। লেভানডফস্কি না পেয়ে পুরস্কারটা মেসি পাওয়ায় ক্ষোভে ফুঁসছেন। জার্মানির সংবাদমাধ্যম, সাবেক ও বর্তমান খেলোয়াড়—সবাই মিলে সমালোচনার ঝড় বইয়ে দিচ্ছেন। শুধু তা–ই নয়, সাবেক ও বর্তমান অনেক খেলোয়াড়ই মেসির ব্যালন ডি’অর পাওয়া নিয়ে অসন্তুষ্টি জানিয়েছেন।

default-image

এ তালিকায় আছেন বিশ্বকাপজয়ী সাবেক জার্মান অধিনায়ক লোথার ম্যাথাউস থেকে শুরু করে ২০১৪ সালে জার্মানিকে বিশ্বকাপ জেতানো ও রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে চার-চারটি চ্যাম্পিয়নস লিগ জেতা তারকা টনি ক্রুসও। ম্যাথাউস-ক্রুসের সঙ্গে এবার সুর মিলিয়েছেন রিয়াল মাদ্রিদ ও স্পেনের সাবেক অধিনায়ক ইকার ক্যাসিয়াস।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে নিজের এই মতামত জানিয়েছেন তিনি, ‘দিন যাচ্ছে আর এসব ফুটবল পুরস্কারের যৌক্তিকতা নিয়ে বিশ্বাস করতে আমার কষ্ট হচ্ছে। আমার কাছে মেসি ইতিহাসের সেরা পাঁচ ফুটবলারের একজন কিন্তু এটা অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে, একটা নির্দিষ্ট মৌসুমে কে ভালো খেলছে। এটা নির্ধারণ করা এমন কোনো কঠিন বিষয় নয়, কিন্তু অন্য মানুষেরা ব্যাপারটাকে কঠিন বানিয়ে দিচ্ছে।’

ওদিকে রিয়ালের আরেক সাবেক অধিনায়ক আবার মেসির ব্যালন ডি’অর পাওয়া নিয়ে অনেক খুশি। এত দিন বিশ্বের সেরা খেলোয়াড় কে, এমন প্রশ্ন করলে সের্হিও রামোসের মুখ থেকে অন্তত লিওনেল মেসির নামটা সরাসরি বের করতে পারতেন না কেউ। করতে পারবেনই–বা কীভাবে? একজন বার্সেলোনার অধিনায়ক তো আরেকজন চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী রিয়াল মাদ্রিদের। সময় বদলেছে, আজগুবি এক দলবদলে এখন মেসি-রামোস সতীর্থ। মাঠে একে অন্যকে সাহায্য করতে নামাই তাঁদের কাজ। মেসির ব্যালন ডি’অর পাওয়ার পর রামোস তাই যেন আনন্দে বিগলিত। ইনস্টাগ্রামে মেসির করা পোস্টে কমেন্ট করেছেন, ‘তোমার সপ্তম ব্যালন ডি’অরের জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা, আমার বন্ধু। কী দুর্দান্তই না দেখাচ্ছে!’


রামোসের এ মন্তব্য দেখে রিয়াল-ভক্তদের বুকে রক্তক্ষরণ হবে, নিশ্চিত!

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন