বিজ্ঞাপন
default-image

ব্যস, নেইমারের স্বপ্নের ফুটবলার কেমন হবে, তা পেলেন তো! কী মনে হয়, এমন ফুটবলার কখনো বিশ্ব দেখবে? এমন ফুটবলার পাওয়ার স্বপ্ন হয়তো বিশ্বের কোনো দলই দেখে না। কিন্তু ব্রাজিল তো নেইমারের যোগ্য একজন উত্তরসূরির খোঁজ করতেই পারে। ইউরোপের ফুটবলে খেলার জন্য তৈরি, ব্রাজিলে এখন এমন প্রতিভাবান ফুটবলার নেইমারের দৃষ্টিতে কজন আছে?

প্রতিভার অভাব ব্রাজিলের ফুটবলে আগেও ছিল না, এখনো নেই। নেইমারের আগে রোমারিও, রোনালদো নাজারিও, রোনালদিনিওসহ অনেকেই ইউরোপের ফুটবল মাতিয়েছেন। নেইমারের সঙ্গে এখনো ইউরোপ মাতাচ্ছেন ফিরমিনো, গ্যাব্রিয়েল জেসুস, ভিনিসিয়ুস জুনিয়র, কাসেমিরোসহ অনেকে।

default-image

আর ভবিষ্যতে কারা ইউরোপ মাতাবেন প্রশ্নে নেইমারের উত্তর, ‘গ্যাব্রিয়েল মেনিনো...সান্তোসের কাইয়ো জর্জও আছে। সে খুব প্রতিভাবান। লিবের্তাদোরেস কাপের দুটি ম্যাচে ওকে খেলতে দেখেছি আমি। সে ইউরোপে আলো ছড়াতে পারে।’

এ দুজন ছাড়াও আরও দুই তরুণের কথা বলেছেন নেইমার, ‘ফ্ল্যামেঙ্গোর গারসনকেও খুব ভালো লাগে আমার। ব্রাজিল–পর্ব ওর এরই মধ্যে শেষ হয়ে গেছে। ওর এখন ইউরোপে খেলতে আসা দরকার। গাবিগোলও ইউরোপে ভালো কিছু করতে পারে। আরও অনেক খেলোয়াড় আছে ব্রাজিলে। কিন্তু ব্রাজিলে এ মুহূর্তে এ চারটি নাম বেশ আসছে। তাদের ইউরোপে খেলা উচিত।’

default-image

সান্তোসের সাবেক স্ট্রাইকার গ্যাব্রিয়েল বারবোসা ইউরোপে এরই মধ্যে খেলে গেছেন। কিন্তু গাবিগোল নামে পরিচিত বারবোসার ইউরোপের ফুটবলে প্রথম পর্বটা খুব একটা ভালো কাটেনি। ইন্টার মিলান ও বেনফিকা হয়ে তিনি আবার ফিরে গেছেন ব্রাজিলে। ২৪ বছর বয়সী ব্রাজিলের স্ট্রাইকার এখন আছেন ফ্ল্যামেঙ্গোতে। সেখানে তিনি ভালোই খেলছেন।

বাকি তিনজনের মধ্যে ২০ বছর বয়সী মেনিনো পালমেইরাসের মাঝমাঠে আলো ছড়াচ্ছেন আর সান্তোসের ফরোয়ার্ড জর্জের বয়স মাত্র ১৯ বছর। ২৩ বছর বয়সী ফ্ল্যামেঙ্গোর মিডফিল্ডার গারসন এরই মধ্যে সৃজনশীল ফুটবলের জন্য ব্রাজিলে খ্যাতি পেয়েছেন।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন