ম্যাচ শেষে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন মোহামেডান কোচ জসীমউদ্দিন জোসি। ইসমাইল বাঙ্গুরা আর জুয়েল রানাকে বুকে টেনে নিলেন। পিছিয়ে পড়া ম্যাচে এই দুজনের গোলেই মোহামেডান পেল তিনটি পয়েন্ট।
পয়েন্ট তালিকায় নিচের দিকের দল বিজেএমসির সঙ্গে ৭৮ মিনিট পর্যন্ত পিছিয়ে ছিল মোহামেডান। জয় দূরে থাক ড্র করাও কঠিন মনে হচ্ছিল। কিন্তু বাঙ্গুরা আর জুয়েল কাল সেই কঠিন কাজটাকেই করলেন সহজ।
দ্বিতীয় পর্বের দুই ম্যাচেই জয়। সেই সুবাদে টানা ৮ ম্যাচ অপরাজিত মোহামেডান। ১২ ম্যাচে ২৬ পয়েন্ট নিয়ে দুয়েই আছে সাদা–কালোরা। শীর্ষে থাকা শেখ জামাল ধানমন্ডির পয়েন্ট ২৭। ৯ পয়েন্ট নিয়ে আটে বিজেএমসি।
বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে প্রথমার্ধে নিষ্প্রভ দেখাচ্ছিল মোহামেডানকে। বরং বিজেএমসিই খেলেছে দাপটের সঙ্গে। ৩২ ও ৩৩ মিনিটে বিজেএমসির ফরোয়ার্ড জিকুর দুটি ভালো শট কর্নারের বিনিময়ে আটকে দিয়েছেন মোহামেডান গোলরক্ষক আশরাফুল। ৫৯ মিনিটে প্রতি–আক্রমণে গোলই করে বসলেন এলিটা কিংসলে। মাঝমাঠ থেকে স্যামসান ইলিয়াসুর বাড়ানো বল প্লেসিং করেন নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার। ৬৭ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করার সুযোগও পেয়ে গিয়েছিল বিজেএমসি। কিন্তু নাবিব নেওয়াজ মোহামেডান গোলরক্ষক আশরাফুলকে একা পেয়েও গোল করতে পারেননি।
পিছিয়ে পড়ে দিশেহারা মোহামেডান জেগে উঠল। ৭৯ মিনিটে জুয়েলের ক্রস থেকে ইসমাইল বাঙ্গুরার হেড ক্রসবারে লেগে গোলরক্ষক আরিফুজ্জামানের পিঠ ছুঁয়ে জালে ঢোকে। সমতায় ফেরা মোহামেডান জয়সূচক গোলটা পেতে আক্রমণে গতি বাড়িয়ে দেয় আরও। গোল করিয়েই খুশি ছিলেন না জুয়েল, নিজেও গোল করলেন ৮৭ মিনিটে। বেলিঙ্গার কর্নার থেকে উড়ে আসা বল হেডে জালে পাঠিয়ে সাদা–কালোর এই জয়ে বড় অবদান রাখলেন ঝিনাইদহের তরুণ।
তবে দলের সামগ্রিক পারফরম্যান্সে খুশি নন কোচ জোসি, ‘যেভাবে এত দিন খেলে এসেছে ছেলেরা, আজ সেভাবে মোটেও খেলতে পারেনি। আমি খুশি নই।’

বিজ্ঞাপন
মন্তব্য পড়ুন 0