পিএসজি'র বিপক্ষে জয়, উৎসব তো এমন বাঁধনহারা হবেই!
পিএসজি'র বিপক্ষে জয়, উৎসব তো এমন বাঁধনহারা হবেই! ছবি : রয়টার্স

কেস রুইজ-আতিল, আর্নোঁ কালিমুয়েন্দো, মার্সিন বুলকা। নামগুলো এক নিশ্বাসে পড়ুন। চেনেন এদের? কিংবা টিমোথি পেম্বেলে, বান্দিওগু ফাদিগা, গ্যারিসোঁ ইনোসেন্ত - এদের?


না চিনলে সমস্যা নেই। শূলে চড়ানো হবে না আপনাকে। এদের ভরসাতেই গত রাতে মৌসুমসূচক লিগ ম্যাচ খেলতে নেমেছিল পিএসজি। করোনাভাইরাসের কারণে গত মৌসুম শেষ হয়েছে বেশ পরে, সদ্য শুরু হওয়া মৌসুমের আগে তাই মেরেকেটে দুই সপ্তাহ বিশ্রাম পেয়েছিল গত চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল খেলা দলটা।

বিজ্ঞাপন

তার ওপর করোনার উৎপাতে বেশ ক'জন খেলোয়াড়কে চলে যেতে হয়েছে সেলফ কোয়ারেন্টিনে। এর মধ্যে রয়েছেন গোলরক্ষক কেইলর নাভাস, চার তারকা ফরোয়ার্ড কিলিয়ান এমবাপ্পে, নেইমার, মাউরো ইকার্দি ও অ্যানহেল ডি মারিয়া, রক্ষণভাগের তারকা মার্কিনহোস - প্রমুখ। ক্লাব ছেড়ে গেছেন টমাস মনিয়েঁ, এডিনসন কাভানি, থিয়াগো সিলভারা। ফলে একদম আনকোরা দল নিয়ে নেমেছিল পিএসজি।

বিজ্ঞাপন

আর সেটার ফলও পেয়েছে হাতেনাতে। মৌসুমের প্রথম ম্যাচে লেঁসের বিপক্ষে ১-০ গোলে হেরে বসেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। ৫৭ মিনিটে ক্যামেরুনের স্ট্রাইকার ইগনাতিউস গানাগোর গোলটাই যথেষ্ট ছিল পিএসজির ম্যাচ হারের জন্য। ২০ বছর বয়সী তরুণ পোলিশ গোলরক্ষক মার্সিন বুলকা পাস দিতে গিয়ে গানাগোর পায়ে ভুলে বল তুলে দেন। ওয়ান-টু-ওয়ানে বুলকাকে পরাস্ত করতে বেগ পেতে হয়নি এই স্ট্রাইকারকে।

বিজ্ঞাপন

আক্রমণভাগে অধিকাংশ আনকোরা মানুষজন থাকলেও রক্ষণভাগ ও মিডফিল্ডে অভিজ্ঞ তারকাই ছিল পিএসজির। ছিলেন আন্দের হেরেরা, ইদ্রিসা গেয়ে, মার্কো ভেরাত্তি, হুয়ান বার্নাত, প্রেসনেল কিমপেম্বে, থিলো কেহরার ও লেভিন কুরজাওয়া। কিন্তু অভিজ্ঞতার সুফল পায়নি পিএসজি। বার্সেলোনা থেকে গত বছর আনা কিশোর তারকা জাভি সিমোন্সকে বেঞ্চে রাখা হলেও পরে তাঁকে আর নামাননি কোচ টমাস টুখেল। বল দখলের লড়াইয়ে পিএসজি যোজন যোজন এগিয়ে থাকলেও গোল করার তেমন সুযোগ বের করতে পারেনি চ্যাম্পিয়নরা।


আগামী রোববার মার্শেইয়ের বিপক্ষে খেলতে নামবে দলটা। সে ম্যাচেও তারকা ফরোয়ার্ডদের পাবে না পিএসজি। কোচের মাথায় চিন্তার ভাঁজ বাড়াই স্বাভাবিক!

মন্তব্য পড়ুন 0