বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

প্রথমার্ধে ম্যাচে নিয়ন্ত্রণ ছিল বারিধারার। বেশ কয়েকটি গোলের সুযোগও তৈরি করেছিল তারা। ১৪ মিনিটে বক্সের বাইরে থেকে ফ্রি-কিকে বেশ জোরালো শট নিয়েছিলেন বারিধারার উজবেক সেন্টারব্যাক সাইদুস্তোন ফজিলভ। ডান দিকে ঝাঁপিয়ে রক্ষা করেছেন শেখ জামাল গোলরক্ষক মোহাম্মদ নাঈম। ম্যাচে গোলকিপারের পরীক্ষা দেওয়া বলতে এই একটিই।

খেলায় সৌন্দর্য না থাকলেও শারীরিক লড়াইয়ে উত্তেজনা ছিল। ১৭ মিনিটে বারিধারার মিডফিল্ডার পাপন সিং উজবেকিস্তানের মিডফিল্ডার ভালিজনভ ওতাবেককে অহেতুক কনুই মেরে ফেলে দিলে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে উত্তেজনা ছড়ায়। হলুদ কার্ড দেখানো হয় পাপনকে।

default-image

জোবে ও সিল্লাহবিহীন শেখ জামালকে তাকিয়ে থাকতে হচ্ছে ওতাবেকের দিকে। কিন্তু যোগ্য সঙ্গীর অভাবে নিজের পছন্দ অনুযায়ী জায়গায় খেলতে পারছেন না। কখনো উইঙ্গার, কখনো ‘নাম্বার নাইন’ হিসেবে খেলতে হলো তাঁকে। জোবের জায়গায় যাঁকে নিয়েছে শেখ জামাল, সেই নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার চিনেদু ম্যাথিউ ঢাকায় না আসা পর্যন্ত এ চিত্র বদলাবে বলে মনে হয় না।

তবু দ্বিতীয়ার্ধে তুলনামূলক ভালো খেলেছে শেখ জামাল। তাদের দুর্ভাগ্য গোলপোস্ট। ৭ মিনিটের ব্যবধানে দুবার বল ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে।

default-image

৮১ মিনিটে মোহাম্মদ আতিকুজ্জমানের ক্রসে সলোমন কিংয়ের হেড ক্রসবারে লেগে চলে যায় বাইরে। ম্যাচের শেষের দিকে আবারও বাধা সেই ক্রসবার। এবার প্রায় ২০ গজ দূর থেকে নেওয়া ওতাবেকের নেওয়া ফ্রি-কিক ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। শেষ পর্যন্ত ড্র নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় শেখ জামালকে।

নিজেদের প্রথম ম্যাচে জয় থাকায় এই ড্রয়ে ৪ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ ‘বি’-র শীর্ষে শেখ জামাল। ১ পয়েন্ট নিয়ে বারিধারা তিন নম্বরে।

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন