একই মৌসুমে এর আগে অন্য কোনো ম্যানেজার নিজের দলকে কারাবাও কাপ (লিগ কাপ), এফএ কাপ, চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে তুলতে পারেননি। ক্লপই প্রথম ম্যানেজার, যার বদৌলতে এই কীর্তি দেখল বিশ্ব। ১৯৯৮-৯৯ মৌসুমে ট্রেবল জেতা স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড সেবার লিগ, এফএ কাপ আর চ্যাম্পিয়নস লিগ জিতলেও কারাবাও কাপের (লিগ কাপ) ফাইনালে উঠতে পারেনি। আর এ জায়গাতেই ফার্গুসনসহ অন্য যেকোনো ম্যানেজারের চেয়ে এগিয়ে গেছেন ক্লপ।

এ নিয়ে চার-চারবার নিজের দলকে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে তুললেন ক্লপ। লিভারপুলের হয়ে তিনবার তো বটেই, ২০১৩ সালে ক্লপের ডর্টমুন্ড চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনাল খেলেছিল বায়ার্ন মিউনিখের বিপক্ষে। এর আগে দলকে চারবার চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে তোলার কৃতিত্ব বর্তমান রিয়াল মাদ্রিদ কোচ কার্লো আনচেলত্তি, সাবেক রিয়াল মাদ্রিদ কোচ মিগেল মুনোজ, জুভেন্টাসের সাবেক কোচ মার্সেলো লিপ্পি ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসনের। ছোট্ট এই তালিকায় জায়গা করে নিতে পারেননি মরিনিও-গার্দিওলার মতো ম্যানেজাররা।

তবে দল প্রথমার্ধে যেভাবে খেলছিল, তাতে হয়তো ম্যাচশেষে এত শত রেকর্ডের মুখ দেখা হতো না ক্লপের। সেটা ক্লপের কথাতেই বোঝা গেছে, 'প্রথমার্ধে আমাদের মানসিক অবস্থা ঠিক ছিল না। (প্রতিপক্ষের মাঠে) আমরা চাপ অনুভব করছিলাম। ফুটবলীয় দিক দিয়ে উন্নতি করতে হলে আপনাকে অবশ্যই মানসিক অবস্থা ঠিক করতে হবে।'

এই নিয়ে চারবার চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে উঠলেও ক্লপ সেই প্রথমবারের অনুভূতিই পাচ্ছেন যেন, 'অসাধারণ! মনে হচ্ছে যেন প্রথমবারের মতো ফাইনালে উঠলাম! এমন প্রতিযোগিতাই আমি পছন্দ করি, এই প্রতিযোগিতার সবকিছু (আমি পছন্দ করি)! ভিয়ারিয়ালকে শ্রদ্ধা জানাই, উনাই (এমেরি) অসাধারণ কাজ করছে ওদের হয়ে। বিশেষ এক অর্জন মনে হচ্ছে আমার কাছে। ছেলেদের জন্য এটা অনেক বড় অর্জন!'

ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন