default-image

সাত বছরে মানুষের জীবনে কত পরিবর্তনই না আসে!

সাত বছর আগে আরেকটু হলে ফুটবলার জীবনের সর্বোচ্চ চূড়া স্পর্শ করতে পারতেন আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার ইজেকিয়েল গ্যারায়। ২০১৪ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার অন্যতম প্রধান ডিফেন্ডার ছিলেন তিনি। জার্মানির বিপক্ষে মেসিদের সঙ্গে ফাইনাল ম্যাচ খেলতেও নেমেছিলেন। কোচ আলেহান্দ্রো সাবেয়া মার্টিন ডেমিকেলিসের সঙ্গে গ্যারায়ের জুটিকেই উপযুক্ত মনে করেছিলেন মিরোস্লাভ ক্লোসা, মেসুত ওজিল ও টমাস মুলারদের আক্রমণভাগকে সামলানোর জন্য। কিন্তু কপাল খারাপ, শিরোপাটা আর ছুঁয়ে দেখা হয়নি।

বিজ্ঞাপন

ক্লাব জীবনেও খুব বেশি ব্যর্থ ছিলেন, বলা যাবে না। রেসিং সান্তান্দারের হয়ে আলো ছড়িয়ে নাম লিখিয়েছিলেন রিয়াল মাদ্রিদে। খেলেছেন ভ্যালেন্সিয়ার মতো ক্লাবেও। চোট থেকে সারতে পারেননি দেখে কিছুদিন আগেই ভ্যালেন্সিয়া চুক্তি নবায়ন করেনি তাঁর সঙ্গে। গোটা ক্যারিয়ারে এসি মিলান, লিভারপুল, ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মতো ক্লাবগুলোতে আসতে পারেন—এমনটা শোনা গেলেও শেষমেশ হয়নি। এখন কার্যত কর্মহীনই আছেন। কিছুদিন আগে করোনায় আক্রান্ত হয়ে কোয়ারেন্টিনেও ছিলেন। করোনায় যেসব ফুটবলাররা সবার আগে আক্রান্ত হয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে একজন ছিলেন গ্যারায়।

সেই বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলা ডিফেন্ডারের ঘরোয়া জীবনও যেন তাঁর ফুটবল ক্যারিয়ারের মতো ফিকে হয়ে যাচ্ছে। গ্যারায়ের স্ত্রী তামারা গোরো জানিয়েছেন, স্বামীর সঙ্গে ভালোবাসাবাসিতে এখন আর আগ্রহ পান না তিনি, ‘আপনি যদি মনে করেন আমার যৌনজীবনে আগের মতো আগ্রহ পাই কি না, তাহলে তার উত্তর হবে—না। আমি জানি না ব্যাপারটা কী সময়ের অভাবের কারণে হয়েছে, না ইচ্ছার অভাবে। কিন্তু সত্যি কথা এটাই। আমি ওসবে এখন আর আগের মতো আগ্রহ পাই না।’

default-image

তাই বলে যে স্বামীর জন্য তাঁর ভালোবাসায় কমতি আছে, সেটা অবশ্য স্বীকার করেননি এই স্প্যানিশ মডেল ও টিভি তারকা, ‘আমি আমার স্বামীকে ভালোবাসি। কিন্তু আগের মতো প্রতিদিন তাঁর সঙ্গে ভালোবাসাবাসি করতে চাই না, কারণ আমি ক্লান্ত। এটাই সত্যি কথা। আমার মনে হয় অনেক মেয়েই আমার অবস্থাটা বুঝতে পারবে।’

তামারা গোরোর এই অনাগ্রহের পেছনে স্বামী গ্যারায়ের ‘ভূমিকা’ আছে কি না, কিংবা ব্যাপারটা গ্যারায় কীভাবে দেখছেন, সে ব্যাপারে অবশ্য কিছু জানা যায়নি এখনো!

বিজ্ঞাপন
ফুটবল থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন